। আবূ মা‘মার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহর ও ‘আসর সালাতে কিরাত পাঠ করতেন কি না এ বিষয়ে আমরা খাববাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, (পাঠ করতেন)। আমরা তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা তা কিভাবে জানতেন (বা বুঝতেন)? তিনি বলেন, আমরা তাঁর দাড়ি আন্দোলিত হতে দেখে বুঝে ফেলতাম। [1] সহীহ : বুখারী।
Abu Ma’mar said:We asked Khabbab: Did the Messenger of Allah (ﷺ) recit (the Quran) in the noon and afternoon prayers? He replied: Yes. We then asked: How did you know this? He said: By the shaking of his beard, may peace be upon him
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার ‘উমার (রাঃ) সা‘দ (রাঃ)-কে বলেন, লোকেরা আপনার প্রতিটি বিষয়ে অভিযোগ করেছে, এমনকি আপনার সালাত সম্পর্কেও। সা‘দ (রাঃ) বলেন, আমি সালাতের প্রথম দু‘ রাক‘আতে কিরাত দীর্ঘ করি এবং শেষের দু‘ রাক‘আতে কেবল সূরাহ ফাতিহা পাঠ করি। তিনি আরো বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে যেভাবে সালাত আদায় করেছি- তার কোন ব্যতিক্রম করিনি। ‘উমার (রাঃ) বলেন, আপনার ব্যাপারে আমার ধারণাও তা-ই।[1] সহীহ : বুখরী ও মুসলিম।
Jabir b. Samurah reported:’Umar said to Sa’d: people complain against you for everything, even for prayer. He replied: I prolong the first two rak’ahs of prayer and make the last two rak’ahs brief; I do not fall short of following the prayer offered by the Messenger of Allah(May peace be upon him). He said: I think so about you
। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদের ধারণা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম রাক‘আত হয়ত এজন্যই দীর্ঘ করতেন যাতে লোকেরা প্রথম রাক‘আত থেকেই জামা‘আতে শরীক হওয়ার সুযোগ পান।[1] সহীহ।
Abu Qatadah said:We thought that by this (prolonging the first rak’ah). He (the prophet) meant that the people might join the first rak’ah