حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قِصَّةِ بَرِيرَةَ قَالَتْ كَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا وَلَوْ كَانَ حُرًّا لَمْ يُخَيِّرْهَا .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বারীরাহর ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার স্বামী একজন গোলাম ছিলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে স্বামীর ব্যাপারে এখতিয়ার প্রদান করায় সে নিজেকে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না।[1] সহীহঃ তবে এ কথাটি বাদেঃ ‘‘স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না।’’ এটুকু মুদরাজ। যা ‘উরওয়ার উক্তি।
While relating the tradition about Barirah A’ishah said “her husband was a slave, so the Prophet(ﷺ) gave her choice. She chose herself. Had he been a free man, he would not given her choice.”
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তার স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তার সাথে বসবাসের কোনো আকর্ষণ আমার নেই, যদিও আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়।[1] সহীহ। বুখারী। আর ‘স্বামী আযাদ হওয়ার’ কথাটি মুদরাজ। যা আসওয়াদের উক্তি থেকে এসেছে।
A’ishah said “Barirah’s husband was a free man when she was emancipated. She was given choice. She said “I do not like to remain with him. I have such and such (grievances)”
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ زَوْجَ، بَرِيرَةَ كَانَ عَبْدًا أَسْوَدَ يُسَمَّى مُغِيثًا فَخَيَّرَهَا - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - وَأَمَرَهَا أَنْ تَعْتَدَّ .
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। বারীরার স্বামী এক কালো বর্ণের ক্রীতদাস ছিলেন। যার নাম মুগীস। বারীরাহ মুক্ত হবার পর এ স্বামী গ্রহণ করা অথবা বর্জনের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এখতিয়ার দিয়ে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।[1] সহীহ।
Ibn ‘Abbas said “The husband of Barirah was a black slave called Mughith. The Prophet (ﷺ) gave her choice and commanded her to observe the waiting period.”