بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًۭا مُّبِينًۭا ١
ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবীনা
আমি তোমাকে দিয়েছি স্পষ্ট বিজয়।
لِّيَغْفِرَ لَكَ ٱللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِن ذَنۢبِكَ وَمَا تَأَخَّرَ وَيُتِمَّ نِعْمَتَهُۥ عَلَيْكَ وَيَهْدِيَكَ صِرَٰطًۭا مُّسْتَقِيمًۭا ٢
লিয়াগফিরা লাকাল্লা-হু মা তাকাদ্দামা মিন যামবিকা ওয়ামা তাআখ্খারা ওয়াইউতিম্মা নি‘মাতাহূ ‘আলাইকা ওয়ায়াহদিয়াকা সিরা-তাম মুসতাকীমা
যাতে আল্লাহ তোমার আগের ও পিছের যাবতীয় ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করেন, তোমার উপর তাঁর নি‘মাত পূর্ণ করেন এবং তোমাকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
وَيَنصُرَكَ ٱللَّهُ نَصْرًا عَزِيزًا ٣
ওয়ায়ানসুরাকাল্লা-হু নাসরান ‘আযীযা
আর আল্লাহ তোমাকে প্রবল পরাক্রান্ত সাহায্য দান করেন।
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ فِى قُلُوبِ ٱلْمُؤْمِنِينَ لِيَزْدَادُوٓا۟ إِيمَٰنًۭا مَّعَ إِيمَٰنِهِمْ ۗ وَلِلَّهِ جُنُودُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا ٤
হুওয়াল লাযী আনযালাস সাকীনাতা ফী কুলূবিল মু’মিনীনা লিয়াযদা-দূ ঈমা-নাম মা‘আ ঈমা-নিহিম ওয়ালিল্লা-হি জুনূদুস সামা-ওয়া-তি ওয়ালআরদ ওয়াকা-নাল্লা-হু ‘আলীমান হাকীমা
তিনিই মু’মিনদের দিলে প্রশান্তি নাযিল করেন যাতে তারা তাদের ঈমানের সাথে আরো ঈমান বাড়িয়ে নেয়। আসমান ও যমীনের যাবতীয় বাহিনী আল্লাহর কর্তৃত্বের অধীন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও প্রজ্ঞাময়।
لِّيُدْخِلَ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتِ جَنَّٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَيُكَفِّرَ عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ ۚ وَكَانَ ذَٰلِكَ عِندَ ٱللَّهِ فَوْزًا عَظِيمًۭا ٥
লিইউদখিলাল মু’মিনীনা ওয়ালমু’মিনা-তি জান্না-তিন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু খা-লিদীনা ফীহা ওয়াইউকাফ্ফিরা ‘আনহুম সাইয়্যিআ-তিহিম ওয়াকা-না যা-লিকা ‘ইনদাল্লা-হি ফাওযান ‘আযীমা
(তিনি এ কাজ করেন এজন্য) যাতে তিনি মু’মিন পুরুষ ও মু’মিনা নারীকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করেন যার তলদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত। তাতে তারা চিরকাল থাকবে। তিনি তাদের পাপ মোচন করে দিবেন। আল্লাহর দৃষ্টিতে এটাই বিরাট সাফল্য।
وَيُعَذِّبَ ٱلْمُنَٰفِقِينَ وَٱلْمُنَٰفِقَٰتِ وَٱلْمُشْرِكِينَ وَٱلْمُشْرِكَٰتِ ٱلظَّآنِّينَ بِٱللَّهِ ظَنَّ ٱلسَّوْءِ ۚ عَلَيْهِمْ دَآئِرَةُ ٱلسَّوْءِ ۖ وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ وَلَعَنَهُمْ وَأَعَدَّ لَهُمْ جَهَنَّمَ ۖ وَسَآءَتْ مَصِيرًۭا ٦
ওয়াইউ‘আয্যিবাল মুনা-ফিকীনা ওয়ালমুনা-ফিকা-তি ওয়ালমুশরিকীনা ওয়ালমুশরিকা-তিয যা-ন্নীনা বিল্লা-হি যান্নাস সাও’ ‘আলাইহিম দা-ইরাতুস সাওই ওয়াগাদিবাল্লা-হু ‘আলাইহিম ওয়ালা‘আনাহুম ওয়াআ‘আদ্দা লাহুম জাহান্নামা ওয়াসা-আত মাসীরা
আর তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিকা নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিকা নারীকে শাস্তি দিবেন যারা আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করে। তাদের জন্য আছে অশুভ চক্র। আল্লাহ তাদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন আর তাদেরকে লা‘নাত করেছেন। তাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন জাহান্নাম। তা কতই না নিকৃষ্ট আবাসস্থল!
وَلِلَّهِ جُنُودُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا ٧
ওয়ালিল্লা-হি জুনূদুস সামা-ওয়া-তি ওয়ালআরদ ওয়াকা-নাল্লা-হু ‘আযীযান হাকীমা
আসমান ও যমীনের যাবতীয় বাহিনী আল্লাহর কর্তৃত্বের অধীন। আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী, মহা প্রজ্ঞাময়।
إِنَّآ أَرْسَلْنَٰكَ شَٰهِدًۭا وَمُبَشِّرًۭا وَنَذِيرًۭا ٨
ইন্না- আরসালনা-কা শা-হিদাঁ ওয়ামুবাশ্শিরাঁ ওয়ানাযীরা
(হে রাসূল) আমি তোমাকে (সত্যের) সাক্ষ্যদাতা. (বিশ্বাসীদের জন্য) সুসংবাদদাতা ও (অবিশ্বাসীদের জন্য) সতর্ককারী হিসেবে পাঠিয়েছি।
لِّتُؤْمِنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ وَتُسَبِّحُوهُ بُكْرَةًۭ وَأَصِيلًا ٩
লিতু’মিনূ বিল্লা-হি ওয়ারাসূলিহী ওয়াতু‘আয্যিরূহু ওয়াতুওয়াক্কিরূহু ওয়াতুসাব্বিহূহু বুকরাতাঁ ওয়াআসীলা
যেন (ওহে মানুষেরা) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আন, রসূলকে শক্তি যোগাও আর তাকে সম্মান কর, আর সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর মহিমা ঘোষণা কর।
إِنَّ ٱلَّذِينَ يُبَايِعُونَكَ إِنَّمَا يُبَايِعُونَ ٱللَّهَ يَدُ ٱللَّهِ فَوْقَ أَيْدِيهِمْ ۚ فَمَن نَّكَثَ فَإِنَّمَا يَنكُثُ عَلَىٰ نَفْسِهِۦ ۖ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِمَا عَٰهَدَ عَلَيْهُ ٱللَّهَ فَسَيُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًۭا ١٠
ইন্নাল লাযীনা ইউবা-য়ি‘ঊনাকা ইন্নামা ইউবা-য়ি‘ঊনাল্লা-হা ইয়াদুল্লা-হি ফাওকা আইদীহিম ফামান নাকাছা ফাইন্নামা ইয়ানকুছু ‘আলা নাফসিহী ওয়ামান আওফা বিমা ‘আ-হাদা ‘আলাইহুল্লা-হা ফাসাইউ’তীহি আজরান ‘আযীমা
যারা তোমার কাছে বাই‘আত (অর্থাৎ আনুগত্য করার শপথ) করে আসলে তারা আল্লাহর কাছে বাই‘আত করে। তাদের হাতের উপর আছে আল্লাহর হাত। এক্ষণে যে এ ও‘য়াদা ভঙ্গ করে, এ ও‘য়াদা ভঙ্গের কুফল তার নিজেরই উপর পড়বে। আর যে ও‘য়াদা পূর্ণ করবে- যা সে আল্লাহর সঙ্গে করেছে- তিনি অচিরেই তাকে মহা পুরস্কার দান করবেন।
سَيَقُولُ لَكَ ٱلْمُخَلَّفُونَ مِنَ ٱلْأَعْرَابِ شَغَلَتْنَآ أَمْوَٰلُنَا وَأَهْلُونَا فَٱسْتَغْفِرْ لَنَا ۚ يَقُولُونَ بِأَلْسِنَتِهِم مَّا لَيْسَ فِى قُلُوبِهِمْ ۚ قُلْ فَمَن يَمْلِكُ لَكُم مِّنَ ٱللَّهِ شَيْـًٔا إِنْ أَرَادَ بِكُمْ ضَرًّا أَوْ أَرَادَ بِكُمْ نَفْعًۢا ۚ بَلْ كَانَ ٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًۢا ١١
সায়াকূলু লাকাল মুখাল্লাফূনা মিনাল আ‘রা-বি শাগালাতনা- আমওয়া-লুনা ওয়াআহলূনা ফাসতাগফির লানা ইয়াকূলূনা বিআলসিনাতিহিম মা লাইসা ফী কুলূবিহিম কুল ফামান ইয়ামলিকু লাকুম মিনাল্লা-হি শাইআন ইন আরা-দা বিকুম দার্রান আও আরা-দা বিকুম নাফ‘আ বাল কা-নাল্লা-হু বিমা তা‘মালূনা খাবীরা
(যুদ্ধ থেকে) পিছ-পড়া বেদুঈনরা তোমাকে বলবে- আমাদের মালধন আর আমাদের পরিবার-পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রেখেছিল, কাজেই (হে নবী) আপনি আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তারা মুখে এমন কথা বলে যা তাদের অন্তরে নেই। (তাদেরকে) বল, আল্লাহ তোমাদের কোন ক্ষতি বা কোন কল্যাণ করার ইচ্ছে করলে তাঁর বিপক্ষে তোমাদের জন্য কিছু করার ক্ষমতা কার আছে? (কারো কোন ওকালতির দরকার নেই) বরং তোমরা যা কর সে বিষয়ে আল্লাহই খবর রাখেন।
بَلْ ظَنَنتُمْ أَن لَّن يَنقَلِبَ ٱلرَّسُولُ وَٱلْمُؤْمِنُونَ إِلَىٰٓ أَهْلِيهِمْ أَبَدًۭا وَزُيِّنَ ذَٰلِكَ فِى قُلُوبِكُمْ وَظَنَنتُمْ ظَنَّ ٱلسَّوْءِ وَكُنتُمْ قَوْمًۢا بُورًۭا ١٢
বাল যানানতুম আল লান ইয়ানকালিবার রাসূলু ওয়ালমু’মিনূনা ইলা- আহলীহিম আবাদাঁ ওয়াযুইয়্যিনা যা-লিকা ফী কুলূবিকুম ওয়াযানানতুম যান্নাস সাওই ওয়াকুনতুম কাওমাম বূরা
বরং তোমরা ধারণা করেছিলে যে, রসূল ও মু’মিনগণ কক্ষনো তাদের পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে আসতে পারবে না, আর এ খেয়ালটা তোমাদের মনে খুবই চমৎকার ক’রে দেয়া হয়েছিল। তোমরা ধারণা করেছিলে বড়ই কু-ধারণা, আসলে তোমরা হলে ধ্বংসের যোগ্য একটা সম্প্রদায়।
وَمَن لَّمْ يُؤْمِنۢ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ فَإِنَّآ أَعْتَدْنَا لِلْكَٰفِرِينَ سَعِيرًۭا ١٣
ওয়ামাল লাম ইউ’মিম বিল্লা-হি ওয়ারাসূলিহী ফাইন্না- আ‘তাদনা লিলকা-ফিরীনা সা‘ঈরা
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে না, আমি (সে সব) কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি জ্বলন্ত আগুন।
وَلِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ يَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًۭا رَّحِيمًۭا ١٤
ওয়ালিল্লা-হি মুলকুস সামা-ওয়া-তি ওয়ালআরদ ইয়াগফিরু লিমান ইয়াশা-উ ওয়াইউ‘আয্যিবু মান ইয়াশা-আ ওয়াকা-নাল্লা-হু গাফূরার রাহীমা
আসমান যমীনের রাজত্ব আল্লাহর; যাকে চান তিনি ক্ষমা করেন, যাকে ইচ্ছে ‘আযাব দেন। আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু।
سَيَقُولُ ٱلْمُخَلَّفُونَ إِذَا ٱنطَلَقْتُمْ إِلَىٰ مَغَانِمَ لِتَأْخُذُوهَا ذَرُونَا نَتَّبِعْكُمْ ۖ يُرِيدُونَ أَن يُبَدِّلُوا۟ كَلَٰمَ ٱللَّهِ ۚ قُل لَّن تَتَّبِعُونَا كَذَٰلِكُمْ قَالَ ٱللَّهُ مِن قَبْلُ ۖ فَسَيَقُولُونَ بَلْ تَحْسُدُونَنَا ۚ بَلْ كَانُوا۟ لَا يَفْقَهُونَ إِلَّا قَلِيلًۭا ١٥
সায়াকূলুল মুখাল্লাফূনা ইযানতালাকতুম ইলা মাগা-নিমা লিতা’খুযূহা যারূনা নাত্তাবি‘কুম ইউরীদূনা আন ইউবাদ্দিলূ কালা-মাল্লা-হ কুল লান তাত্তাবি‘ঊনা কাযা-লিকুম কা-লাল্লা-হু মিন কাবলু ফাসায়াকূলূনা বাল তাহসুদূনানা বাল কা-নূ লা ইয়াফকাহূনা ইল্লা কালীলা
তোমরা যখন গানীমাতের মাল সংগ্রহ করার জন্য যেতে থাকবে তখন পিছনে থেকে যাওয়া লোকগুলো বলবে- ‘আমাদেরকেও তোমাদের সঙ্গে যেতে দাও। তারা আল্লাহর ফরমানকে বদলে দিতে চায়। বল ‘তোমরা কিছুতেই আমাদের সঙ্গে যেতে পারবে না, (খাইবার অভিযানে অংশগ্রহণ এবং সেখানে পাওয়া গানীমাত কেবল তাদের জন্য যারা ইতোপূর্বে হুদাইবিয়ার সফর ও বাই‘আতে রিয্ওয়ানে অংশ নিয়েছে) এমন কথা আল্লাহ পূর্বেই বলে দিয়েছেন। তখন তারা বলবে- ‘তোমরা বরং আমাদের প্রতি হিংসা পোষণ করছ।’ (এটা যে আল্লাহর হুকুম তা তারা বুঝছে না) বরং তারা খুব কমই বুঝে।
قُل لِّلْمُخَلَّفِينَ مِنَ ٱلْأَعْرَابِ سَتُدْعَوْنَ إِلَىٰ قَوْمٍ أُو۟لِى بَأْسٍۢ شَدِيدٍۢ تُقَٰتِلُونَهُمْ أَوْ يُسْلِمُونَ ۖ فَإِن تُطِيعُوا۟ يُؤْتِكُمُ ٱللَّهُ أَجْرًا حَسَنًۭا ۖ وَإِن تَتَوَلَّوْا۟ كَمَا تَوَلَّيْتُم مِّن قَبْلُ يُعَذِّبْكُمْ عَذَابًا أَلِيمًۭا ١٦
কুল লিলমুখাল্লাফীনা মিনাল আ‘রা-বি সাতুদ‘আওনা ইলা কাওমিন উলী বা’সিন শাদীদিন তুকা-তিলূনাহুম আও ইউসলিমূনা ফাইন তুতী‘ঊ ইউ’তিকুমুল্লা-হু আজরান হাসানাঁ ওয়াইন তাতাওয়াল্লাও কামা তাওয়াল্লাইতুম মিন কাবলু ইউ‘আয্যিবকুম ‘আযা-বান আলীমা
বেদুঈনদের যারা পেছনে রয়ে গিয়েছিল তাদেরকে বল- ‘তোমাদেরকে যুদ্ধ করতে ডাকা হবে খুবই শক্তিশালী এক জাতির বিরুদ্ধে, তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে অথবা তারা আত্মসমর্পণ করবে। তোমরা যদি তখন তা মান্য কর, আল্লাহ তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দিবেন। আর যদি পিঠ ফিরিয়ে নাও যেমন তোমরা আগে পিঠ ফিরিয়ে নিয়েছিলে, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে কষ্টদায়ক শাস্তি দিবেন।
لَّيْسَ عَلَى ٱلْأَعْمَىٰ حَرَجٌۭ وَلَا عَلَى ٱلْأَعْرَجِ حَرَجٌۭ وَلَا عَلَى ٱلْمَرِيضِ حَرَجٌۭ ۗ وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ يُدْخِلْهُ جَنَّٰتٍۢ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ ۖ وَمَن يَتَوَلَّ يُعَذِّبْهُ عَذَابًا أَلِيمًۭا ١٧
লাইসা ‘আলাল আ‘মা হারাজুঁ ওয়ালা ‘আলাল আ‘রাজি হারাজুঁ ওয়ালা ‘আলাল মারীদি হারাজ ওয়ামান ইউতি‘ইল্লা-হা ওয়ারাসূলাহূ ইউদখিলহু জান্না-তিন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু ওয়ামান ইয়াতাওয়াল্লা ইউ‘আয্যিবহু ‘আযা-বান আলীমা
অন্ধের উপর কোন দোষ নেই, খোঁড়ার উপর কোন দোষ নেই, রোগীর উপর কোন দোষ নেই। আর যে কেউই আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করবেন, যার নীচ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত। আর যে ব্যক্তি পিঠ ফিরিয়ে নিবে, তিনি তাকে কষ্টদায়ক শাস্তি দিবেন।
۞ لَّقَدْ رَضِىَ ٱللَّهُ عَنِ ٱلْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ ٱلشَّجَرَةِ فَعَلِمَ مَا فِى قُلُوبِهِمْ فَأَنزَلَ ٱلسَّكِينَةَ عَلَيْهِمْ وَأَثَٰبَهُمْ فَتْحًۭا قَرِيبًۭا ١٨
লাকাদ রাদিয়াল্লা-হু ‘আনিল মু’মিনীনা ইয ইউবা-য়ি‘ঊনাকা তাহতাশ শাজারাতি ফা‘আলিমা মা ফী কুলূবিহিম ফাআনযালাস সাকীনাতা ‘আলাইহিম ওয়াআছা-বাহুম ফাতহান কারীবা
মু’মিনদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হলেন যখন তারা (হুদাইবিয়ায়) গাছের তলে তোমার কাছে বায়‘আত নিল। আল্লাহ জানতেন তাদের অন্তরে কী আছে, এজন্য তিনি তাদের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন আর পুরস্কার হিসেবে তাদেরকে দিলেন নিকট আসন্ন বিজয়।
وَمَغَانِمَ كَثِيرَةًۭ يَأْخُذُونَهَا ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَزِيزًا حَكِيمًۭا ١٩
ওয়ামাগা-নিমা কাছীরাতাঁ ইয়া’খুযূনাহা ওয়াকা-নাল্লা-হু ‘আযীযান হাকীমা
আর বিপুল পরিমাণ গানীমাত যা তারা লাভ করবে। আল্লাহ মহা পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।
وَعَدَكُمُ ٱللَّهُ مَغَانِمَ كَثِيرَةًۭ تَأْخُذُونَهَا فَعَجَّلَ لَكُمْ هَٰذِهِۦ وَكَفَّ أَيْدِىَ ٱلنَّاسِ عَنكُمْ وَلِتَكُونَ ءَايَةًۭ لِّلْمُؤْمِنِينَ وَيَهْدِيَكُمْ صِرَٰطًۭا مُّسْتَقِيمًۭا ٢٠
ওয়া‘আদাকুমুল্লা-হু মাগা-নিমা কাছীরাতান তা’খুযূনাহা ফা‘আজ্জালা লাকুম হা-যিহী ওয়াকাফ্ফা আইদিয়ান না-সি ‘আনকুম ওয়ালিতাকূনা আ-য়াতাল লিলমু’মিনীনা ওয়ায়াহদিয়াকুম সিরা-তাম মুসতাকীমা
আল্লাহ তোমাদেরকে বিপুল পরিমাণ গানীমাতের ও‘য়াদা দিয়েছেন যা তোমরা লাভ করবে। এটা তিনি তোমাদেরকে আগেই দিলেন আর মানুষদের (অর্থাৎ মাক্কার কুরায়শদের) হাতকে তোমাদের (উপর পতিত হওয়া) থেকে সংযত করে রাখলেন যাতে তা মু’মিনদের জন্য একটা নিদর্শন হয় (যে প্রকৃত মু’মিনদেরকে আল্লাহ অতি সংকটময় মুহূর্তেও রক্ষা করতে পারেন), আর তিনি তোমাদেরকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
وَأُخْرَىٰ لَمْ تَقْدِرُوا۟ عَلَيْهَا قَدْ أَحَاطَ ٱللَّهُ بِهَا ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرًۭا ٢١
ওয়াউখরা লাম তাকদিরূ ‘আলাইহা কাদ আহা-তাল্লা-হু বিহা ওয়াকা-নাল্লা-হু ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদীরা
এবং আরো অন্য (সাহায্য, সম্পদ ও বিজয়) যা এখনও তোমাদের অধিকারে আসেনি, আল্লাহ তা স্বীয় আয়ত্তে রেখেছেন, আল্লাহ সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
وَلَوْ قَٰتَلَكُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوَلَّوُا۟ ٱلْأَدْبَٰرَ ثُمَّ لَا يَجِدُونَ وَلِيًّۭا وَلَا نَصِيرًۭا ٢٢
ওয়ালাও কা-তালাকুমুল লাযীনা কাফারূ লাওয়াল্লাউল আদবা-রা ছুম্মা লা ইয়াজিদূনা ওয়ালিয়্যাঁ ওয়ালা নাসীরা
কাফিরগণ যদি তোমাদের সাথে যুদ্ধ বাঁধাত, তাহলে তারা অবশ্যই পিঠ ফিরিয়ে নিত, সে অবস্থায় তারা কোন পৃষ্ঠপোষক ও সাহায্যকারী পেত না।
سُنَّةَ ٱللَّهِ ٱلَّتِى قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلُ ۖ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ ٱللَّهِ تَبْدِيلًۭا ٢٣
সুন্নাতাল্লা-হিল লাতী কাদ খালাত মিন কাবলু ওয়ালান তাজিদা লিসুন্নাতিল্লা-হি তাবদীলা
(এটাই) আল্লাহর বিধান, অতীতেও তাই হয়েছে, তুমি আল্লাহর বিধানে কক্ষনো কোন পরিবর্তন পাবে না।
وَهُوَ ٱلَّذِى كَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ عَنْهُم بِبَطْنِ مَكَّةَ مِنۢ بَعْدِ أَنْ أَظْفَرَكُمْ عَلَيْهِمْ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرًا ٢٤
ওয়াহুওয়াল লাযী কাফ্ফা আইদিয়াহুম ‘আনকুম ওয়াআইদিয়াকুম ‘আনহুম বিবাতনি মাক্কাতা মিম বা‘দি আন আযফারাকুম ‘আলাইহিম ওয়াকা-নাল্লা-হু বিমা তা‘মালূনা বাসীরা
মক্কা উপত্যকায় তিনিই তাদের হাত তোমাদের থেকে আর তোমাদের হাত তাদের থেকে বিরত রেখেছিলেন তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয়ী করার পর। তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা দেখেন।
هُمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَصَدُّوكُمْ عَنِ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ وَٱلْهَدْىَ مَعْكُوفًا أَن يَبْلُغَ مَحِلَّهُۥ ۚ وَلَوْلَا رِجَالٌۭ مُّؤْمِنُونَ وَنِسَآءٌۭ مُّؤْمِنَٰتٌۭ لَّمْ تَعْلَمُوهُمْ أَن تَطَـُٔوهُمْ فَتُصِيبَكُم مِّنْهُم مَّعَرَّةٌۢ بِغَيْرِ عِلْمٍۢ ۖ لِّيُدْخِلَ ٱللَّهُ فِى رَحْمَتِهِۦ مَن يَشَآءُ ۚ لَوْ تَزَيَّلُوا۟ لَعَذَّبْنَا ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا ٢٥
হুমুল লাযীনা কাফারূ ওয়াসাদ্দূকুম ‘আনিল মাসজিদিল হারা-মি ওয়ালহাদইয়া মা‘কূফান আন ইয়াবলুগা মাহিল্লাহ ওয়ালাওলা রিজা-লুম মু’মিনূনা ওয়ানিসা-উম মু’মিনা-তুল লাম তা‘লামূহুম আন তাতাঊহুম ফাতুসীবাকুম মিনহুম মা‘আর্রাতুম বিগাইরি ‘ইলমিল লিইউদখিলাল্লা-হু ফী রাহমাতিহী মান ইয়াশা-আ লাও তাযাইয়্যালূ লা‘আয্যাবনাল লাযীনা কাফারূ মিনহুম ‘আযা-বান আলীমা
কুফুরী তো তারাই করেছিল আর তোমাদেরকে মাসজিদুল হারাম থেকে বাধা দিয়েছিল। বাধা দিয়েছিল কুরবানীর পশুগুলোকে কুরবানীর স্থানে পৌঁছতে। মু’মিন পুরুষ আর মু’মিন নারীরা যদি (মাক্কায় কাফিরদের মাঝে) না থাকত যাদের সম্পর্কে তোমরা জান না আর অজ্ঞতাবশতই তোমরা তাদেরকে পর্যুদস্ত করে দিবে যার ফলে তোমাদের উপর কলঙ্ক লেপন হবে-এমন সম্ভাবনা না থাকত, তাহলে তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেয়া হত। যুদ্ধের আদেশ দেয়া হয়নি যাতে আল্লাহ যাকে ইচ্ছে তাঁর রহমাতের মধ্যে শামিল করে নিতে পারেন। (মাক্কায় অনেক মু’মিন আর কাফিররা একত্রিত না থেকে) যদি তারা পৃথক হয়ে থাকত, তাহলে আমি তাদের মধ্যে কাফিরদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দিতাম।
إِذْ جَعَلَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ فِى قُلُوبِهِمُ ٱلْحَمِيَّةَ حَمِيَّةَ ٱلْجَٰهِلِيَّةِ فَأَنزَلَ ٱللَّهُ سَكِينَتَهُۥ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ وَعَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ وَأَلْزَمَهُمْ كَلِمَةَ ٱلتَّقْوَىٰ وَكَانُوٓا۟ أَحَقَّ بِهَا وَأَهْلَهَا ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمًۭا ٢٦
ইয জা‘আলাল লাযীনা কাফারূ ফী কুলূবিহিমুল হামিয়্যাতা হামিয়্যাতাল জা-হিলিয়্যাতি ফাআনযালাল্লা-হু সাকীনাতাহূ ‘আলা রাসূলিহী ওয়া‘আলাল মু’মিনীনা ওয়াআলযামাহুম কালিমাতাত তাকওয়া ওয়াকা-নূ আহাক্কা বিহা ওয়াআহলাহা ওয়াকা-নাল্লা-হু বিকুল্লি শাইইন ‘আলীমা
কাফিররা যখন তাদের অন্তরে জিদ ও হঠকারিতা জাগিয়ে তুলল- অজ্ঞতার যুগের জিদ ও হঠকারিতা- তখন আল্লাহ তাঁর রসূল ও মু’মিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন আর তাদের জন্য তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ-বাণী অপরিহার্য (রূপে পালনীয়) ক’রে দিলেন; আর তারাই ছিল এর সবচেয়ে বেশি হকদার ও যোগ্য অধিকারী। আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বাধিক জ্ঞানের অধিকারী।
لَّقَدْ صَدَقَ ٱللَّهُ رَسُولَهُ ٱلرُّءْيَا بِٱلْحَقِّ ۖ لَتَدْخُلُنَّ ٱلْمَسْجِدَ ٱلْحَرَامَ إِن شَآءَ ٱللَّهُ ءَامِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَ ۖ فَعَلِمَ مَا لَمْ تَعْلَمُوا۟ فَجَعَلَ مِن دُونِ ذَٰلِكَ فَتْحًۭا قَرِيبًا ٢٧
লাকাদ সাদাকাল্লা-হু রাসূলাহুর রু’ইয়া বিলহাক্কি লাতাদখুলুন্নাল মাসজিদাল হারা-মা ইন শা-আল্লা-হু আ-মিনীনা মুহাল্লিকীনা রুঊসাকুম ওয়ামুকাস্সিরীনা লা তাখা-ফূনা ফা‘আলিমা মা লাম তা‘লামূ ফাজা‘আলা মিন দূনি যা-লিকা ফাতহান কারীবা
আল্লাহ তাঁর রসূলকে প্রকৃত সত্য স্বপ্নই দেখিয়েছিলেন। আল্লাহর ইচ্ছায় তোমরা অবশ্য অবশ্যই মাসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে, মস্তক মুন্ডিত অবস্থায় ও চুল কেটে, ভয়ভীতিহীন হয়ে। আল্লাহ জানেন, যা তোমরা জান না। (সেই স্বপ্ন তো পূর্ণ হবেই) তদুপরি তিনি দিলেন (হুদাইবিয়ার চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে) নিকটাসন্ন বিজয়।
هُوَ ٱلَّذِىٓ أَرْسَلَ رَسُولَهُۥ بِٱلْهُدَىٰ وَدِينِ ٱلْحَقِّ لِيُظْهِرَهُۥ عَلَى ٱلدِّينِ كُلِّهِۦ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۭا ٢٨
হুওয়াল লাযী আরসালা রাসূলাহূ বিলহুদা ওয়াদীনিল হাক্কি লিইউযহিরাহূ ‘আলাদ দীনি কুল্লিহ ওয়াকাফা বিল্লা-হি শাহীদা
তিনিই তাঁর রসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দ্বীন সহকারে সকল দ্বীনের উপর সেটিকে বিজয়ী করার জন্য। (এ ব্যাপারে) সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।
مُّحَمَّدٌۭ رَّسُولُ ٱللَّهِ ۚ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ أَشِدَّآءُ عَلَى ٱلْكُفَّارِ رُحَمَآءُ بَيْنَهُمْ ۖ تَرَىٰهُمْ رُكَّعًۭا سُجَّدًۭا يَبْتَغُونَ فَضْلًۭا مِّنَ ٱللَّهِ وَرِضْوَٰنًۭا ۖ سِيمَاهُمْ فِى وُجُوهِهِم مِّنْ أَثَرِ ٱلسُّجُودِ ۚ ذَٰلِكَ مَثَلُهُمْ فِى ٱلتَّوْرَىٰةِ ۚ وَمَثَلُهُمْ فِى ٱلْإِنجِيلِ كَزَرْعٍ أَخْرَجَ شَطْـَٔهُۥ فَـَٔازَرَهُۥ فَٱسْتَغْلَظَ فَٱسْتَوَىٰ عَلَىٰ سُوقِهِۦ يُعْجِبُ ٱلزُّرَّاعَ لِيَغِيظَ بِهِمُ ٱلْكُفَّارَ ۗ وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ مِنْهُم مَّغْفِرَةًۭ وَأَجْرًا عَظِيمًۢا ٢٩
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লা-হ ওয়াল্লাযীনা মা‘আহূ আশিদ্দা-উ ‘আলাল কুফ্ফা-রি রুহামা-উ বাইনাহুম তারা-হুম রুক্কা‘আন সুজ্জাদাঁ ইয়াবতাগূনা ফাদলাম মিনাল্লা-হি ওয়ারিদওয়া-নান সীমা-হুম ফী উজূহিহিম মিন আছারিস সুজূদ যা-লিকা মাছালুহুম ফিত তাওরা-হ ওয়ামাছালুহুম ফিল ইনজীলি কাযার‘ইন আখরাজা শাতআহূ ফাআ-যারাহূ ফাসতাগলাযা ফাসতাওয়া ‘আলা সূকিহী ইউ‘জিবুয যুর্রা-‘আ লিয়াগীযা বিহিমুল কুফ্ফা-র ওয়া‘আদাল্লা-হুল লাযীনা আ-মানূ ওয়া‘আমিলুস সা-লিহা-তি মিনহুম মাগফিরাতাঁ ওয়াআজরান ‘আযীমা
মুহাম্মাদ আল্লাহর রসুল। আর যে সব লোক তাঁর সঙ্গে আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর, নিজেদের পরস্পরের প্রতি দয়াশীল। তাদেরকে তুমি দেখবে রুকূ‘ ও সাজদায় অবনত অবস্থায়, তারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অনুসন্ধানে নিয়োজিত। তাদের চিহ্ন হল, তাদের মুখমন্ডলে সেজদা্র প্রভাব পরিস্ফুট হয়ে আছে। তাদের এমন দৃষ্টান্তের কথা তাওরাতে আছে, তাদের দৃষ্টান্ত ইঞ্জিলেও আছে। (তারা) যেন একটা চারাগাছ তার কচিপাতা বের করে, তারপর তা শক্ত হয়, অতঃপর তা কান্ডের উপর মজবুত হয়ে দাঁড়িয়ে যায়- যা চাষীকে আনন্দ দেয়। (এভাবে আল্লাহ মু’মিনদেরকে দুর্বল অবস্থা থেকে দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় ক’রে দেন) যাতে কাফিরদের অন্তর গোস্বায় জ্বলে যায়। তাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান আনে আর সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও মহা পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।