• Sunrise At: 5:13 AM
  • Sunset At: 6:49 PM
info@quranfor.me +8801814091509

দ্য ম্যাসেজ (The Message: Messenger of God) – হযরত মোহাম্মদ (স) এর জীবনী নিয়ে নির্মিত একটি ইসলামিক চলচ্চিত্র।

দ্য ম্যাসেজ ফুল মুভিটি এইখানে দেখতে পারেন

ভিডিও দেখতে কোন সমস্যা হলে বা ডাউনলোড করতে এইখানে ক্লিক করুন।

দ্য ম্যাসেজ (The Message: Messenger of God) (আরবি: الرسالة আর- রিসালাহ; ইংরেজি: দ্য ম্যাসেজ (The Message), ইসলামের সর্বশেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবন বৃত্তান্ত সংবলিত ১৯৭৬ সালের ইংরেজি ভাষার একটি চলচ্চিত্র, ছবিটি পরিচালনা করেছেন মোস্তফা আক্কাদ, চিত্রনাট্য করেছেন এইচ.এ.এল. ক্রেইজ, প্রযোজনা করেছেন মোস্তফা আক্কাদ, ছবিতে অভিনয় করেছেন অ্যান্থনি কুইন, আইরিন পাপেস, মাইকেল অ্যানসারা প্রমুখ। আরবী ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই মুক্তি পেয়েছে এখন এইটা বাংলাভাষাতে পাওয়া যাচ্ছে । দ্য ম্যাসেজ (The Message) চলচ্চিত্রটিতে মূলত ইসলামের প্রাথমিক সময়ের কাহিনী উঠে এসেছে।

একটা বায়োপিক তৈরি করা হবে কিন্তু বায়োপিকের কোথাও যাকে নিয়ে তৈরি করা হবে, তাকে এক মুহূর্তের জন্যেও দেখানো যাবেনা, তার কোন মৌখিক উদ্ধৃতিও শোনা যাবেনা। এ রকমটা কি করা সম্ভব? যে কেউই উত্তরে বলবে, অসম্ভব। মুল চরিত্র যেখানে অনুপস্থিত, সেখানে কি কিরে ওই চরিত্র পুরোপুরি তুলে ধরা সম্ভব? এমন অসম্ভব কাজ করেছেন সিরিয়ায় জন্মগ্রহণ করা মোস্তফা আক্কাদ ১৯৭৬ সালে তার জীবনের প্রথম সিনেমা ‘দ্যা ম্যাসেজ’ এ।

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে যতগুলো কাজ হয়েছে কোনটাই বিতর্কের বাইরে যায়নি। মোস্তফা আক্কাদকেও ‘দ্যা ম্যাসেজ’ তৈরি করতে গিয়ে বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত চিত্রনাট্য দেখে মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এ সিনেমা তৈরির ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছেন। মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ এ সিনেমা বর্জন করলেও পরবর্তীতে এ বায়োপিক তৈরি করতে মরক্কো সরকার ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছে। মরক্কোর পর লিবিয়ার গাদ্দাফিও এ বায়োপিক তৈরিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।

১৯৭৭ সালের অস্কার পুরস্কারে চলচ্চিত্রটি আবহসঙ্গীত পরিচালক মরিস জারে পরিচালিত বিশেষ আবহসঙ্গীতের জন্য সেরা সঙ্গীতায়োজন বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিল।

কাহিনীসংক্ষেপঃ

সিনেমার গল্প শুরু হয় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওয়ত প্রাপ্তির সময় থেকে। নবুওয়ত প্রাপ্তির পূর্বের মক্কা ও কাবার মূর্তি পূজার কয়েকটি দৃশ্যের পর জিবরাইল (আঃ) হেরা পর্বতের গুহার সম্মুখে আসেন। এখানে জিবরাইল ও মুহাম্মদ (সাঃ) কাউকেই দেখানো হয়নি৷ তাদের কাউকে প্রদর্শন না করেও দক্ষতার সাথে প্রথম কুরান নাজিলের অবস্থা তুলে ধরেন।

চলচ্চিত্রটিতে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে মক্কায় ইসলামের সূচনার ঘটনাকে অনুসরণ করা হয়েছে, যেখানে মুসলমানগণ তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে অত্যাচারিত হচ্ছিল, এরপর মদিনায় হিজরত, বিভিন্ন যুদ্ধ, চুক্তি ইসলামের প্রসারের মধ্য দিয়ে কাহিনী এগিয়ে গেছে এবং মুসলমানদের মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সমাপ্তি ঘটেছে। তৎকালীন সময়ের বেশ কিছু রক্তক্ষয়ী পটভূমি যেমন বদরের যুদ্ধ ও উহুদের যুদ্ধ চলচ্চিত্রটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যার অধিকাংশ দৃশ্যই নবীজী এর চাচা হামজার চরিত্রের(অ্যান্থনি কুইন) দৃষ্টিকোণ থেকে দেখানো হয়েছে। ইসলামী মৌলিকতার উপর ভিত্তি করে চলচ্চিত্রটিতে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে দেখানো হয় নি, তার কন্ঠেরও অনুকরণ করা হয় নি। তার স্ত্রী, সন্তান ও খলিফাদের ক্ষেত্রেও এই একই মূলনীতি অনুসরণ করা হয়েছে, অর্থাৎ তাদেরকেও চলচ্চিত্রটিতে দেখানো হয়নি।

পবিত্র কুরান নাজিলের পরবর্তী অবস্থা বর্ণনা করেন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পালকপুত্র যায়েদের মাধ্যমে। আবার কখনো তার চাচা আবু তালিব কিংবা অন্যত্র হামযা (রাঃ) এর মাধ্যমে। কিছুকাল নিজেদের মধ্যে ইসলাম প্রচারের পর প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার শুরু করার অনুমতি আসে। তারপর থেকে মক্কায় শুরু হয় নির্যাতন। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তার মুসলিম সাহাবীদের উপর আবু সুফিয়ান ও তার সঙ্গীদের নির্যাতন। হযরত বিলাল (রাঃ) কে উত্তপ্ত বালুকাময় মরুভূমির উপর পাথর চেপে হত্যার চেষ্টা করেন।

নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সহ সকল মুসলিমের প্রথমে তায়েফ গমন, আবার সেখান থেকে নির্যাতিত হয়ে পরে মদিনায় হিজরতের দৃশ্য উত্তপ্ত বালুকাময় মরুভূমির পথে অংকন করেন পরিচালক মোস্তফা আক্কাদ।

মদিনায় মুসলমানদের সুদিন ফিরে আসে। প্রথমে সকলে মিলে মসজিদে নববী তৈরি করেন, সেখানে বিলাল (রাঃ) ইসলামের সর্বপ্রথম আজান দেন। তারপর ইসলাম চারদিকে ছড়িয়ে দিতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে দূত পাঠান রসুল (সাঃ)। মক্কার কুরাইশদের সাথে দ্বন্দ্বে ইসলামের প্রথম দুটি যুদ্ধ বদর ও উহুদ যুদ্ধ সিনেমায় তুলে আনেন মোস্তফা আক্কাদ। হুদাইবিয়ার সন্ধির পর্যন্ত ইসলামের ছায়াতলে অবস্থান নেয় দশ হাজারেরও অধিক মানুষ।

তারপর মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে সিনেমা শেষ হয়। মক্কা বিজয়ের সময় কাবা শরীফের সকল মূর্তি সরিয়ে ফেলে আবু সুফিয়ান ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নেয়, ইসলামের জয়জয়কার অবস্থা। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে রসুল (সাঃ) এর জীবনের প্রথম ও শেষ হজ্জ্ব বিদায় হজ্জ্বের ভাষণ তুলে ধরেন।

চিত্রনাট্য পর্যালোচনা:

ইসলামি ভাবধারার নিয়মানুযায়ী যেমন হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) কে দেখানো হয়নি, তেমনি তার পুত্র-কন্যা, ইসলামের চার খলিফা কাউকেই চিত্রায়ন করা হয়নি। বদর যুদ্ধে হামযা (রাঃ) এর সাথে আলী (রাঃ)ও যে উপস্থিত আছেন তা বুঝানো হয়েছে, কিন্তু আলী (রাঃ) কেও প্রদর্শন করা হয়নি।

পালকপুত্র যায়েদ, চাচা আবু তালিব, আবু সুফিয়ান, বিলাল (রাঃ) এরাই সিনেমার মূল চরিত্র। যখন যাকে দিয়ে সম্ভব হয়েছে তাকে দিয়ে কৌশলে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উক্তি বর্ণনা করিয়েছেন।

মোস্তফা আক্কাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল যেহেতু হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর চিত্রায়ন ইসলামে নিষিদ্ধ, মুহাম্মদ (সাঃ) কে ছাড়াই চিত্রনাট্য তুলে আনতে হবে। সেজন্যে সিনেমার মূল চরিত্র একবারও প্রদর্শন করেন নি। এন্থনি কুইন পিপল ম্যাগাজিনে বলেন- ” হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে তো নয়ই, তার ছায়া পর্যন্ত দেখানো হয়নি”।

দ্যা ম্যাসেজ এক কথায় হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী৷  যদিও এ সিনেমাকে পূর্নাঙ্গ জীবনী বলা যাবে না, এখানে নবুওয়াত প্রাপ্তির সময় থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তুলে ধরা হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে এই সিনেমার সত্যায়ন কয়েকবার যাচাই করা হয়েছে৷ ফলে ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে কারো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই।

পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইসলামিক দেশ গুলোর বোঝার সুবিধার্থে দুটি সংস্করণে তৈরি করেন। আরবি ও ইংরেজি। ইংরেজি ভাষায়  Best Music, Original Score এ অস্কারে নমিনেশন পায়। IMBD রেটিং এ ৮.৮ নিয়ে সেরা সিনেমার তালিকায় আছে দ্যা ম্যাসেজ।  Rotten Tomatoes এ এভারেজ রেটিং ৪.৩/৫ ধরে রেখেছে ১৯৭৬ সালে তৈরি হওয়া দ্যা ম্যাসেজ।

বিশ্বব্যাপী ইসলামের জন্য কাজ করার উৎসাহ নিয়ে মোস্তফা আক্কাদ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবদ্দশায় আরবে ইসলামের অবস্থা, প্রচার, প্রসার তুলে ধরেন। দ্যা ম্যাসেজের পর হ্যালুইন সিরিজের জন্য মোস্তফা আক্কাদ আরও সমাদৃত হন। ব্যক্তিজীবনে তিনি ডেভিড লীন (দ্যা লরেন্স অব এরাবিয়া [১৯৬২]) থেকে অনুপ্রাণিত। মোস্তফা আক্কাদ তার জীবনের প্রথম ছবির জন্যই ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত হয়েছেন। সিনেমার নাম প্রথমে  Muhammad: The Messenger of God ঠিক করেন। কিন্তু তৎকালীন বিভিন্ন ইসলামি গোষ্ঠীর চাপে নাম পরিবর্তন করে The Message নামকরণে প্রচার করেন।

মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে আরও অনেক সিনেমা, গল্প, উপন্যাস হলেও তন্মধ্যে ‘দ্য ম্যাসেজ’ চিত্রনাট্যের কাতারে সবকিছুর ঊর্ধ্বে অবস্থান করে। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর নবুওয়াত প্রাপ্তির পরবর্তী জীবন সম্পূর্ণভাবে বুঝতে হলে দেখতে হবে মোস্তফা আক্কাদের মত গল্প বলার দক্ষ কারিগরের মাস্টারপিস ‘দ্যা ম্যাসেজ’ চলচ্চিত্রটি।

দ্য ম্যাসেজ: গাদ্দাফির কল্যাণে যেভাবে আলোর মুখ দেখেছিল সিনেমাটিঃ

হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনী নিয়ে নির্মিত দ্য ম্যাসেজ (The Message) তথা আর-রিসালাহ মুভিতে বদরের যুদ্ধের একটা সিন আছে। সেখানে যুদ্ধের পূর্বে মুসলমানদেরকে একটা কুয়া থেকে পানি তুলতে দেখা যায়। বিখ্যাত লিবিয়ান পর্যটক ওসামা থিনির পোস্ট অনুযায়ী, ফিচার ইমেজের ছবির এই জিনিসটাই হচ্ছে সেই কুয়াটা। জায়গাটা লিবিয়ার দক্ষিণে ওবারি শহরের নিকটে, সাহারা মরুভূমিতে।

দ্য ম্যাসেজ নির্মাণের আগেই সিরিয়ান-আমেরিকান পরিচালক মুস্তফা আক্কাদ মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা চিত্রনাট্যের প্রতিটি পৃষ্ঠা যাচাই-বাছাই করিয়ে নিয়েছিলেন। চলচ্চিত্রের কাহিনীতে এবং চিত্রায়ন পদ্ধতিতে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় খুঁজে না পাওয়ায় আল-আজহার কর্তৃপক্ষ এটি নির্মাণের অনুমতি দেয়।

তবে আল-আজহার অনুমতি দিলেও, সে সময় সৌদি আরবের ‘মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ’ এর বিরোধিতা করে। মুস্তফা আক্কাদের ইচ্ছে ছিল সৌদি আরবের মক্কা এবং মদিনার আশেপাশে চলচ্চিত্রটির চিত্রধারণ করার। কিন্তু বাদশাহ ফয়সলের অনুমতি না পাওয়ায়, বাধ্য হয়ে তাকে বিকল্প লোকেশনের সন্ধান করতে হয়। কুয়েত এবং মরক্কোর আর্থিক সহায়তায় তিনি ১৯৭৪ সালে মরক্কোর মারাকাশে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। শুধুমাত্র সপ্তম শতাব্দীর মক্কা এবং মদিনা শহর দুটোর সেট নির্মাণ করতেই তার সময় লাগে সাড়ে চার মাস!

‘দ্য ম্যাসেজ’ নির্মাণ শুরুর আগে মুস্তফা আক্কাদ যখন প্রথমবার লিবিয়াতে গিয়েছিলেন অর্থ সংগ্রহের জন্য, তখন তাকে লিবিয়াতে প্রবেশই করতে দেওয়া হয় নি। এয়ারপোর্ট থেকেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তিনি কুয়েত এবং মরক্কোর কাছ থেকে অর্থ সহায়তা নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ শুরু করেন। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ভিত্তিতে মরক্কো এবং কুয়েত প্রাথমিকভাবে অর্থায়ন করলেও পরবর্তীতে সৌদি আরব আপত্তি জানালে কুয়েত তার অবস্থান থেকে সরে আসে।

মরক্কোর রাজা দ্বিতীয় হাসান তারপরও তার সমর্থন অব্যাহত রাখেন। কিন্তু সৌদি আরবের প্রচণ্ড চাপের কাছে শেষ পর্যন্ত তিনিও নতি স্বীকার করতে বাধ্য হন। ৬ মাস শুটিং চলার পর মরক্কো ‘দ্য ম্যাসেজ’-এর শুটিং বন্ধ করে দেয় এবং মুস্তফা আক্কাদকে প্রথমে গ্রেপ্তার ও পরে মরক্কো থেকে বহিষ্কার করে। অর্থাভাবে বিদেশী কলাকুশলী সহ পুরো ইউনিট শীতাতপ নিয়ন্ত্রণবিহীন নিম্নমানের একটি হোটেলে দিন অতিবাহিত করতে থাকে।

উপায় নেই দেখে আক্কাদ আবারও লিবিয়াতে যান এবং ৬ মাস ধরে মরক্কোতে শুটিং করা দৃশ্যগুলো লিবীয় নেতা মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফিকে দেখান। পিপল ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, গাদ্দাফি ধারণকৃত দৃশ্যগুলো দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন এবং আবেগে কেঁদে ফেলেন।

তিনি মুস্তফা আক্কাদকে সিনেমাটির বাকি অংশ লিবিয়াতে নির্মাণের অনুমিত দেন এবং চলচ্চিত্রটির নির্মাণ সম্পন্ন করার জন্য বাকি অর্থের যোগান দেন। যুদ্ধের দৃশ্যগুলো চিত্রায়িত করার জন্য যে বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত অভিনেতা প্রয়োজন ছিল, তার জন্য গাদ্দাফি লিবিয়ান সেনাবাহিনীর ৩,০০০ সৈন্যকে নিযুক্ত করেন। এই সৈন্যরা এক্সট্রা হিসেবে অভিনয় ছাড়াও সিনেমার সেট নির্মাণেও সাহায্য করেছিল। গাদ্দাফির সরকার এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করা শিল্পীদের প্রত্যেককে লিবিয়ান মুদ্রায় তাদের মূল পারিশ্রমিকের অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক প্রদান করে।

অবশেষে গাদ্দাফির অর্থায়নে ও লিবিয়ান সেনাবাহিনীর সহায়তায়, লিবিয়ার দক্ষিণের মরুময় সাবহা শহরে ৬ মাস শুটিং চলার পর সম্পন্ন হয় ‘দ্য ম্যাসেজ’ চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ।

Lorem Ipsum

Leave Your Comments

Your email address will not be published. Required fields are marked *

DONATE – অনুদান দিন

Donate
Close