। সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কোন এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথী ছিলাম। আমি (বিতর আদায়ের উদ্দেশ্যে) তার পিছনে থেকে গেলাম। তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, বিতর আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, তোমার জন্য কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে অনুসরণীয় আদর্শ নেই? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাওয়ারীর উপর বিতরের নামায আদায় করতে দেখেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, কোন লোকের জন্য তার বাহনের পিঠে বিতরের নামায আদায় করা জায়িয। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার সাওয়ারীর উপর বিতর আদায় করবে না। যখন সে বিতর আদায় করার ইচ্ছা করবে তখন নীচে নেমে এসে মাটির বুকে বিতর আদায় করবে। কুফাবাসীদের একদল এ মত দিয়েছেন।
Sa'eed bin Yasar narrated:"I was with Ibn Umar on a journey and I fell behind him. He said: 'Where were you?' I said: 'I prayed Al-Witr.' He said: 'Is there not a good exampled for you in Allah's Messenger? I saw Allah's Messenger performing Al-Witr on his mount
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের বার রাকাআত নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি সোনার প্রাসাদ তৈরী করেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩৮০) এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী, আবূ হুরাইরা, নুআইম ইবনু হাম্মার, আবূ যার, আইশা, আবূ উমামা, উতবা ইবনু আবদ সুলামী, ইবনু আবী আওফা, আবূ সাঈদ, যাইদ ইবনু আরকাম ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি গারীব। শুধুমাত্র উল্লেখিত সূত্রেই এ হাদীসটি আমরা জানতে পেরেছি।
Anas bin Malik narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever prays twelve Rak'ah of Ad-Duha, Allah will build a castle made of gold for him in Paradise
। আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে এমন কোন লোকই জানায়নি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পূর্বাহ্নের নামায আদায় করতে দেখেছে। কিন্তু উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তার ঘরে গেলেন, অতঃপর গোসল করে আট রাকাআত নামায আদায় করলেন। আমি তাকে এতো সংক্ষিপ্তভাবে আর কখনও নামায আদায় করতে দেখিনি। হ্যাঁ তিনি রুকূ-সিজদা ঠিকমত আদায় করছিলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭৯)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম আহমাদের মতে, এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী (রাঃ)-এর হাদীসটি সবচাইতে সহীহ। নু'আইম (রাঃ)-এর পিতার নাম নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতের অমিল আছে। মতান্তরে তার নাম খাম্মার, আম্মার, হাববার, হাম্মাম ও হাম্মার। সঠিক নাম হাম্মার। ঐতিহাসিক আবু নু'আইম ভুলবশত হিমায বলে সন্দীহান হয়েছেন এবং পরে পিতার নাম উল্লেখ বাদ দিয়েছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ ব্যাপারে আবদ ইবনু হুমাইদ আবু নু'আইম হতে আমাকে অবহিত করেছেন
Abdur-Rahman bin Abi Laila narrated:"No one informed that they saw Allah's Messenger praying Ad-Duha except Umm Hani. She narrated that Allah's Messenger entered her house on the Day of the Conquest of Makkah. He performed Ghusl and performed eight voluntary Rak'ah such that she had not ever seen him pray any Salat lighter than them, but that he completed the bowing and prostrations
। আবু দারদা ও আবু যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! দিনের প্রথম ভাগে আমার জন্য চার রাক’আত নামায আদায় কর, আমি তোমার দিনের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন পূরণ করে দিব। —সহীহ। তা’লীকুর রাগীব- (১/২৩৬)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান গরীব।
Jubair narrated from Abu Ad-Darda, or Abu Dharr, that :Allah's Messenger narrated that Allah, Blessed and Most High said: "Son of Adam: Perform four Rak'ah for Me in the beginning of the day it will suffice you for the latter part of it
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের জোড়া নামাযের নিয়মিত হিফাযত করে, তার গুনাহ সমুহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, তা সমুদ্রের ফেনার সমান হলেও। যঈফ, মিশকাত (১৩১৮) আবূ ঈসা বলেনঃ ওয়াকী, নাযার ইবনু শুমাইল এবং আরও অনেকে এই হাদীসটি নাহহাস ইবনু কাহম হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমরা তাকে এই হাদীস ছাড়া চিনতে পারিনি।
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever continuously performs the two Rak'ah of Ad-Duha his sins will be forgiven, even if they be like the foam of the sea
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত পূর্বাহ্নের নামায আদায় করতেন, এমনকি আমরা বলাবলি করতাম, তিনি কখনও এ নামায ছাড়বেন না। তিনি আবার কখনও এমনভাবে এ নামায ছেড়ে দিতেন, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত আর কখনও তা আদায় করবেন না। যঈফ, ইরওয়া (৪৬০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
Abu Sa'eed Al-Khudri narrated:"The Prophet would pray Ad-Duha until we would say: 'He will not leave it.' And he would leave it until we would say: 'He will not pray it
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পর যুহরের পূর্বে চার রাকাআত নামায আদায় করতেন। তিনি বলেছেনঃ এটা এমন একটা সময় যখন আকাশের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। আমি এ সময় আমার কোন ভাল কাজ উপরে উঠে যাক এ আকাংখা করি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫৭)। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আবু আইয়ূব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু সায়িবের হাদীসটি হাসান গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ بَعْدَ الزَّوَالِ لاَ يُسَلِّمُ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ “বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে যাওয়ার পর এক সালামে চার রাক"আত নামায আদায় করতেন।
Abdullah bin As-Sa'ib narrated:"Allah's Messenger would pray four (Rak'ah) after the Zawal of the sun before Az-Zuhr. He said: 'It is an hour in which the gates of the heavens are opened, and I love that a righteous deed should be raised up for me in it
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আল্লাহ তা'আলার কাছে অথবা কোন আদম সন্তানের কাছে কোন প্রয়োজন রয়েছে সে যেন প্রথমে উত্তমরূপে ওযু করে, তারপর দুই রাকাআত নামায আদায় করে, তারপর আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠ করে, তারপর এ দু'আ পাঠ করেঃ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ..... আরহামার রাহিমীন"। অর্থাৎ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি ধৈর্যশীল ও মহামহিম। মহান আরশের মালিক আল্লাহ তা'আলা খুবই পবিত্র। সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ তা'আলার জন্য। (হে আল্লাহ!) আমি তোমার নিকট তোমার রহমত লাভের উপায়সমূহ, তোমার ক্ষমা লাভের কঠিন ওয়াদা, প্রত্যেক ভাল কাজের ঐশ্বর্য এবং সকল খারাপ কাজ হতে নিরাপত্তা চাইছি। হে মহা অনুগ্রহকারী! আমার প্রতিটি অপরাধ ক্ষমা কর, আমার প্রতিটি দুশ্চিন্তা দূর করে দাও এবং যে প্রয়োজন ও চাহিদা তোমার সন্তোষ লাভের কারণ হয় তা পরিপূর্ণ করে দাও।” অত্যন্ত দুর্বল, ইবনু মাজাহ (১৩৮৪) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি গারীব। এ হাদীসের সনদ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। কেননা এ হাদীসের এক রাবী ফাইদ ইবনু আবদুর রহমান হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। ফাইদের উপনাম আবূল ওয়ারকা।
Abdullah bin Abi Awfa narrated that :Allah's Messenger (ﷺ) said: "Whoever has a need from Allah, or from one of the sons of Adam, then let him perform Wudu', performing it well, then pray two Rak`ah, then praise Allah and say Salat upon the Prophet (ﷺ). Then let him say: (La ilaha illallah Al-Halimul-Karim. Subhan Allah Rabbil-`Arshil-`Azim. Al-Hamdulillahi Rabbil-`Alamin. As'aluka mujibati rahmatika wa `aza'im maghfiratika, wal-ghanimata min kulli birrin, was-salamata min kulli ithmin, la tada` li dhanban illa ghafartahu, wa la hamman illa farrajtahu, wa la Hajatan hiya laka ridan Illa Qadaitaha, ya arham ar-rahimin) 'None has the right to be worshiped but Allah. Al-Halim (the Forbearing) Al-Karim (the Generous). Glorious is Allah, Lord of the Magnificent Throne. All praise is due to Allah, Lord of the worlds. I ask You for that which warrants Your mercy, and that which will determine Your forgiveness, and the spoils (fruits) of every righteous deed, and safety from every sin; do not leave a sin for me without forgiving it, nor a worry without relieving it. Or a need that pleases you without granting it. O Most-Merciful of those who have mercy
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন, ঠিক সেভাবে প্রতিটি কাজে আমাদেরকে ইস্তিখারা (কল্যাণ প্রার্থনা) শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করে তখন সে যেন ফরয ছাড়া দুই রাকাআত নামায আদায় করে নেয়, অতঃপর বলেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা..... সুম্মা আরফিনী বিহি।" হে আল্লাহ! আমি তোমার জ্ঞানের সাহায্য চাইছি, তোমার শক্তির সাহায্য চাইছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ চাইছি। তুমিই শক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী, আমার কোন ক্ষমতা নেই। তুমি অফুরন্ত জ্ঞানের অধিকারী, আমার কোন জ্ঞান নেই। তুমি অদৃশ্যবিষয়ে সম্পূর্ণরূপে ও সম্যকভাবে জানো। হে আল্লাহ! তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য, আমার দীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজের পরিণামের দিক হতে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বলেছেনঃ আমার দুনিয়া ও আখিরাতের ব্যাপারে ভাল মনে কর তবে তা আমার জন্য নির্দিষ্ট করে দাও এবং আমার জন্য সহজ করে দাও। পক্ষান্তরে তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য আমার দীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজকর্মের পরিণামের দিক হতে, অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বলেছেনঃ আমার ইহকাল-পরকালের ব্যাপারে ক্ষতিকর মনে কর, তবে তুমি সে কাজটি আমার থেকে দূরে সরিয়ে দাও। এবং আমাকে তা থেকে বিরত রাখ। যেখান হতে হোক তুমি আমার জন্য কল্যাণ নির্ধারণ করে দাও।” অতঃপর তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অথবা রাবী বলেন, (এ কাজটির স্থলে) প্রার্থনাকারী যেন নিজের উদ্দিষ্ট কাজের নাম করে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৮০)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও আবু আইয়ূব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবদুর রহমান ইবনু আবুল মাওয়ালীর সূত্রেই জেনেছি। তিনি মাদীনার একজন শাইখ এবং সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) রাবী। তার নিকট হতে সুফিয়ান একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আব্দুর রহমানের নিকট হতে অনেক ইমামই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি হলেন, আব্দুর রহমান ইবনু যাইদ ইবনু আবীল মাওয়ালী।
Jabir bin Abdullah narrated:"Allah's Messenger would teach us Al-Isthikhara for all of our affairs just as he would teach us a Surah of the Qur'an, saying: 'When one of you is worried about a matter, then let him perform two Rak'ah other than the obligatory (prayer), then let him say: (Allahumma inni astakhiruka bi'ilmika, wa astaqdiruka biqudratika, wa as'aluka min falikal-azim, fa innaka taqdiru wa la qadiru, wa ta'lami wa la a'lamu, wa anta allamul-ghayub. Allahumma in kunta ta'lamu anna hadhal-amra khairun li fi dini wa ma'ishati wa aqibati amri, or said: Fi ajili amri wa ajilihi fayassirhu li,thumma barik li fihi, wa in kunta ta'lamu anna hadhal-amra sharrun li fi dini wa ma'ishati wa aqibati amri, or said: Fi ajili amri wa ajilihi fasrifhu anni wasrifni anhu waqdur Lil-khaira haithu kana, thumma ardini bih.)" 'O Allah! I consult Your knowledge, and seek ability from Your power, and I ask You from Your magnificent bounty, for indeed You have power and I do not have power, and You know while I do not know, and You know the unseen. O Allah! If you know that this matter is good for me in my religion or my livelihood, and for my life in the Hereafter - or he said: for my present and future - then make it easy for me, then bless me in it. If You know that this matter is bad for me in my religion and my livelihood and my life in the Hereafter - or he said: for my present and future - then divert it from me and divert me from it, enable me to find the good wherever it is, then make me pleased with it."He said: "And he mentions his need
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, উম্মু সুলাইম (রাঃ) একদিন সকাল বেলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তিনি বললেন, আমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযে পাঠ করব। তিনি বললেনঃ দশবার ‘আল্লাহু আকবার দশবার সুবহানাল্লাহ' এবং দশবার "আলহামদু লিল্লাহ পাঠ কর। অতঃপর তোমার যা খুশি তাই চাও। তিনি (আল্লাহ তা'আলা) বলবেনঃ হ্যা, হ্যা (কুবুল করলাম)। -সনদ সহীহ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ফযল ইবনু আব্বাস ও আবু রাফি (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, আনাসের হাদীসটি হাসান গারীব। সালাতুত তাসবীহ প্রসঙ্গে রাসূল হতে আরো কয়েকটি হাদীস বর্ণিত আছে। কিন্তু এগুলো খুব একটা সহীহ নয়। ইবনুল মুবারক ও অন্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সালাতুত তাসবীহ ও তার ফাযীলাত প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন। আবু ওয়াহব বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে সালাতুত তাসবীহ প্রসঙ্গে আমি প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার বলবে, অতঃপর “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহ গাইরুকা" পাঠ করবে। অতঃপর পনের বার “সুবহানাল্লাহি ওয়াল-হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর আউযু বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং সূরা ফাতিহা ও তার সাথে অন্য সূরা পাঠ করবে। অতঃপর দশবার সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর রুকূতে গিয়ে দশবার, রুকু হতে মাথা তুলে দশবার, সিজদায় গিয়ে দশবার, সিজদা হতে মাথা তুলে দশবার এবং দ্বিতীয় সিজদায় দশবার উক্ত দু’আ পাঠ করবে। এভাবে চার রাকাআত নামায আদায় করবে। এতে প্রতি রাকাআতে পঁচাত্তর বার পাঠ করা হবে। প্রতি রাকাআতের প্রথমে এ দু’আ পনের বার পাঠ করবে, অতঃপর দশবার করে উক্ত দু’আ পাঠ করবে। যদি এ নামায রাতের বেলা আদায় করা হয় তবে আমি প্রতি দুই রাকাআত পর পর সালাম ফিরানো ভাল মনে করি। আর যদি দিনের বেলা আদায় করে তবে চাইলে দুই রাকাআত পর পর বা চার রাকাআত পরও সালাম ফিরাতে পারে। আবু ওয়াহব বলেন, ‘আবদুল আযীয আমাকে জানিয়েছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেছেন, রুকু সাজদায় পরযায়ক্রমে তিনবার করে সুবহানা রব্বিয়াল আযীম' ও 'সুবহানা রব্বিয়াল আলা' পাঠ করার পর উল্লেখিত দু’আ পাঠ করবে। আবদুল আযীয বলেন, আমি ইবনুল মুবারককে প্রশ্ন করলাম, যদি এ নামাযে ভুল হয়ে যায় তবে ভুলের সিজদাতে উক্ত দু’আ পাঠ করতে হবে? তিনি বললেন, না, এ দু’আ তো মোট তিনশো বার পাঠ করতে হবে। -সহীহ। তা’লীকুর রাগীব
Anas bin Malik narrated that :Umm Sulaim came upon the Prophet and said: "Teach me some words that I can say in my Salat." So he said: "Mention Allah's Greatness (saying: Allahu Akbar) ten times, mention Allah's Glory (saying: Subhan Allah) ten times, and mention Allah's praise (saying: Al-Hamdulilah) ten times. Then ask as you like, (for which) He says: 'Yes. Yes
। আবু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে চাচা! আমি কি আপনার সাথে সদ্ব্যবহার করব না, আমি কি আপনাকে ভালবাসব না, আমি কি আপনার উপকার করব না? তিনি বললেন, হ্যাঁ ইয়া রাসূলুল্লাহ। তিনি বললেনঃ হে চাচা চার রাকাআত নামায আদায় করুন, প্রতি রাকাআতে সূরা আল-ফাতিহা ও এর সাথে একটি করে সূরা পাঠ করুন। কিরাআত পাঠ শেষ করে রুকূ করার পূর্বে পনের বার বলুন, “আল্লাহু আকবার ওয়ালু হামদু লিল্লাহি ওয়া সুবহানাল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু।" অতঃপর রুকুতে গিয়ে দশবার, রুকু হতে মাথা তুলে দশবার, সিজদা্তে গিয়ে দশবার, সিজদা হতে মাথা তুলে দশবার, আবার সিজদা্য় গিয়ে দশবার এবং সিজদা হতে মাথা তুলে দাড়ানোর পূর্বে দশবার এটা পাঠ করুন। এভাবে প্রতি রাকাআতে পচাত্তর বার পাঠ করা হবে, চার রাকাআতে সর্বমোট তিনশো বার হবে। আপনার টিলা পরিমাণ গুনাহ হলেও আল্লাহ তা'আলা ক্ষমা করে দিবেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতিদিন এরকম নামায আদায় করতে কে পারবে? তিনি বললেনঃ প্রতিদিন আদায় করতে না পারলে প্রতি শুক্রবারে (সপ্তাহে একবার) আদায় করুন। যদি প্রতি জুমুআয় আদায় করতে না পারেন তবে প্রতি মাসে আদায় করুন। (রাবী বলেন,) তিনি এভাবে বলতে বলতে শেষে বললেনঃ বছরে একবার আদায় করে নিন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৮৬)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব।
Abu Rafi narrated that :Allah's Messenger said to Al-Abbas: "O uncle! Shall I not give to you, shall I not present to you, shall I not benefit you?" He said: "Of course, O Messenger of Allah!" He said: "O uncle! Pray four Rak'ah, reciting in each Rak'ah Fatihatil-Kitab and a Surah. When you are finished your recitation then say: Allahu Akbar, wal-hamdulilah, wa Subhan-Allah, [Wa La Ilaha illallah] 'Allah is Greatest, and all praise is due to Allah, and Glorious is Allah, [and there is none worthy of worship except Allah].' fifteen times before you bow. Then bow and say it ten times, then raise your head and say it ten times. Then prostrate [the second time] and say it ten times. Then raise your head and say it ten times before standing. That is seventy-five in every Rak'ah, which is three-hundred in four Rak'ah. If your sins were like a heap of sand then Allah would forgive you." He said: "O Messenger if Allah! Who is able to say that every day?" He said: "If you can not say it every day then say it every Friday, and if you are not able to say it every Friday then say it every month." And he did not stop saying that until he said: "Then say it every year
। কাব ইবনু উজরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কিভাবে সালাম করতে হবে তা আমরা জেনেছি, কিন্তু আপনার প্রতি কিভাবে দুরূদ পাঠ করব? তিনি বললেনঃ তোমরা বলো, “হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ কর যেভাবে ইবরাহীমের উপর রহমত বর্ষণ করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত মর্যাদাবান। (হে আল্লাহ!) তুমি মুহাম্মাদ ও তার পরিবার-পরিজনদের বারকাত দান কর, যেভাবে তুমি ইবরাহীম ও তার পরিবার-পরিজনদের বারকাত দান করেছ। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত।" আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা বলেন, আমরা "তাদের সাথে আমাদের প্রতিও” শব্দটুকুও বলতাম। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯০৪), বুখারী ও মুসলিম এ অনুচ্ছেদে আলী, আবু হুমাইদ, আবু মাসউদ, তালহা, আবু সাঈদ, বুরাইদা, যাইদ ইবনু খারিজা ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ কাব ইবনু উজরার হাদীসটি হাসান সহীহ। আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলার উপনাম আবু ঈসা। আর আবু লাইলার নাম ইয়াসার।
Ka'b bin Ujrah narrated:"We said: 'O Messenger of Allah! We have learned about saying the Salam to you, but how about As-Salat upon you?' He said: 'Say: (Allahumma salli ala Muhammadin Wa Ala ali Muhammadin kama sallaita Ala Ibrahim, Innaka hamidan MAjid, Wa barik Ala Muhammadin wa Ala ali Muhammadin kamma barakta Ala Ibrahim Innaka Hamidan Majid)" O Allah! Send Salat upon Muhammad and upon Muhammad's family just as You have sent Salat upon Ibrahim, indeed You are the Praise and Majestic. And send blessings upon Muhammad and Muhammad's family just as You have sent blessing upon Ibrahim, indeed You are the Praised and Majestic.'Mahmud said: "Abu Usamah said: Za'idah added something for me, from Al-Amash, from Al-Hakam, from Abdur-Rahman bin Abi Laila, that he said: "We would say 'And upon us along with them
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামতের দিন আমার নিকটতম ব্যক্তি হবে যে আমার প্রতি বেশি পরিমাণে দরূদ পাঠ করেছে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (২/২৮০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আরও বর্ণিত আছে, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি দশটি রহমত বর্ষণ করেন এবং তার জন্য দশটি সাওয়াব লিখে দেন।
Abdullah bin Mas'ud narrated that :Allah's Messenger said: "The person closest to me on the Day of Judgement is the one who sent the most Salat upon me
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি দশটি রহমত বর্ষণ করেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১৩৬৯), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ, আমির ইবনু রবী'আ, আম্মার, আবু তালহা, আনাস ও উবাই ইবনু কাব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। সুফিয়ান সাওরী ও অপরাপর মনীষী বলেছেন, প্রতিপালক প্রভুর পক্ষ হতে ‘সালাত’ শব্দের অর্থ রহমত’ এবং ফেরেশতাদের পক্ষ হতে সালাতের’ অর্থ ‘ক্ষমা প্রার্থনা।’
Abu Hurairah narrated that :Allah's Messenger said: "Whoever sends Salat upon me, Allah sends Salat upon him ten times
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, দুআ আকাশ যমিনের মধ্যবর্তী স্থানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, তোমার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যতক্ষণ তুমি দুরূদ পাঠ না কর ততক্ষণ তার কিছুই উপরে উঠে না। -হাসান। সহীহাহ– (২০৫৩)।
Umar bin Al-Khattab narrated:"Indeed the supplication stops between the heavens and the earth. Nothing of it is raised up until you send Salat upon your Prophet
। আলা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (ইয়াকুব) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেছেনঃ যার দীন প্রসঙ্গে সঠিক জ্ঞান আছে কেবল সেই যেন আমাদের বাজারে ব্যবসা করে। -সনদ হাসান। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবু ঈসা বলেনঃ 'আলা ইবনু আবদুর রহমান তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) ও অন্যান্যদের নিকট হাদীস শুনেছেন। 'আলার পিতা আবদুর রহমানও তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আবু হুরাইরা, আবু সাঈদ আল-খুদরী ও ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট হাদীস শুনেছেন। আবদুর রহমানের পিতা ইয়াকুব একজন বয়বৃদ্ধ তাবিঈ। তিনি উমর (রাঃ)-এর সাক্ষাত লাভ করেছেন এবং তার নিকট হতেও হাদীস বর্ণনা করেছেন
Umar bin Al-Khattab [may Allah be pleased with him] said:"No one should sell in our markets except one who has understanding in the religion