(لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوْبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُوْنَ) قَالَ حُمَيْدٌ وَثَابِتٌ عَنْ أَنَسٍ شُجَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ فَقَالَ كَيْفَ يُفْلِحُ قَوْمٌ شَجُّوْا نَبِيَّهُمْ فَنَزَلَتْ (لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ). ‘‘আপনার কিছু করণীয় নেই এ ব্যাপারে যে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন অথবা শাস্তি দেবেন। কারণ তারা তো যালিম।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২৮) হুমায়দ এবং সাবিত (রহ.) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, উহূদের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তখন তিনি বললেন, যারা তাদের নবীকে আঘাত করে তারা কী করে সফল হবে। এ কথার প্রেক্ষাপটেই অবতীর্ণ হয়- (لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ) ৪০৬৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফজরের সালাতের শেষ রাকআতে রুকূ থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন, হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর লানত বর্ষণ করুন। তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম। [৪০৭০, ৪৫৫৯, ৭৩৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Salim's father:
That he heard Allah's Messenger (ﷺ), when raising his head from bowing of the first rak`a of the morning prayer, saying, "O Allah! Curse so-and-so and so-and-so" after he had said, "Allah hears him who sends his praises to Him. Our Lord, all the Praises are for you!" So Allah revealed:-- "Not for you (O Muhammad! )......(till the end of Verse) they are indeed wrong-doers
ثُمَّ أَنْزَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْم بَعْدِ الْغَمِّ أَمَنَةً نُّعَاسًا يَّغْشٰى طَآئِفَةً مِّنْكُمْ لا وَطَآئِفَةٌ قَدْ أَهَمَّتْهُمْ أَنْفُسُهُمْ يَظُنُّوْنَ بِاللهِ غَيْرَ الْحَقِّ ظَنَّ الْجَاهِلِيَّةِ ط يَقُوْلُوْنَ هَلْ لَّنَا مِنَ الْأَمْرِ مِنْ شَيْءٍ ط قُلْ إِنَّ الْأَمْرَ كُلَّه” لِلهِ ط يُخْفُوْنَ فِيْٓ أَنْفُسِهِمْ مَّا لَا يُبْدُوْنَ لَكَ ط يَقُوْلُوْنَ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ مَّا قُتِلْنَا هٰهُنَا ط قُلْ لَّوْ كُنْتُمْ فِيْ بُيُوْتِكُمْ لَبَرَزَ الَّذِيْنَ كُتِبَ عَلَيْهِمُ الْقَتْلُ إِلٰى مَضَاجِعِهِمْ ج وَلِيَبْتَلِيَ اللهُ مَا فِيْ صُدُوْرِكُمْ وَلِيُمَحِّصَ مَا فِيْ قُلُوْبِكُمْ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ م بِذَاتِ الصُّدُوْرِ (154)) তারপর তিনি তোমাদের উপর দুঃখের পর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন তন্দ্রারূপে, যা তোমাদের একদলকে আচ্ছন্ন করেছিল। আর একদল ছিল যাদের বিব্রত করে রেখেছিল তাদের প্রাণের চিন্তা, তারা আল্লাহর প্রতি জাহিলী যুগের ধারণার মত অবাস্তব ধারণা করেছিল। তারা বলছিলঃ এ ব্যাপারে আমাদের হাতে কি কিছু করার নেই? বলুনঃ নিশ্চয় যাবতীয় বিষয় একমাত্র আল্লাহরই হাতে। তারা নিজেদের মনে গোপন রাখে যা আপনার কাছে প্রকাশ করে না। তারা বলেঃ যদি আমাদের হাতে এ ব্যাপারে কিছু করার থাকত তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না। বলুনঃ যদি তোমরা নিজেদের ঘরেও থাকতে, তবুও যাদের নিহত হওয়া নির্ধারিত ছিল তারা বেরিয়ে পড়ত নিজেদের মৃত্যুর স্থানের দিকে। এসব এজন্য যে, আল্লাহ তোমাদের মনে যা আছে তা পরীক্ষা করবেন এবং তোমাদের অন্তরে যা আছে তা নির্মল করবেন। মনের গোপন বিষয় আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪) ৪০৬৮. বর্ণনাকারী বলেন, খলীফা (রহ.) আমার নিকট ...... আবূ ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, উহূদ যুদ্ধের দিন যারা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন [1] হয়েছিলেন তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম একজন। এমনকি আমার তলোয়ারটি আমার হাত থেকে কয়েক দফা পড়েও গিয়েছিল। তলোয়ারটি পড়ে যেত, আমি তা তুলে নিতাম, আবার পড়ে যেত, আমি আবার তা তুলে নিতাম। [৪৫৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
Abu Talha (ra) said:I was amongst those who were overtaken by slumber until my sword fell from my hand on several occasions. The sword fell and I picked it up, and it fell again, and I picked it up
وَعَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو عَلَى صَفْوَانَ بْنِ أُمَيَّةَ وَسُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو وَالْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ فَنَزَلَتْ {لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَىْءٌ} إِلَى قَوْلِهِ {فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ}.
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহ, সুহায়ল ইবনু আমর এবং হারিস ইবনু হিশামের জন্য বদদু‘আ করতেন। এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে- ‘‘তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই করার নেই। কারণ তারা যালিম।’’ [৪০৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Salim bin `Abdullah said' "Allah's Messenger (ﷺ) used to invoke evil upon Safwan bin Umaiya, Suhail bin `Amr and Al-Harith bin Hisham. So the Verse was revealed:-- "Not for you (O Muhammad!)......(till the end of Verse) For they are indeed wrong-doers
حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ جَعَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الرَّجَّالَةِ يَوْمَ أُحُدٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ جُبَيْرٍ، وَأَقْبَلُوا مُنْهَزِمِينَ، فَذَاكَ إِذْ يَدْعُوهُمُ الرَّسُولُ فِي أُخْرَاهُمْ.
(إِذْ تُصْعِدُوْنَ وَلَا تَلْوُوْنَ عَلٰى أَحَدٍ وَالرَّسُوْلُ يَدْعُوْكُمْ فِيْٓ أُخْرَاكُمْ فَأَثَابَكُمْ غَمًّام بِغَمٍّ لِّكَيْلَا تَحْزَنُوْا عَلٰى مَا فَاتَكُمْ وَلَا مَآ أَصَابَكُمْ وَاللهُ خَبِيْرٌ بِمَا تَعْمَلُوْنَ) تُصْعِدُوْنَ تَذْهَبُوْنَ أَصْعَدَ وَصَعِدَ فَوْقَ الْبَيْتِ. ‘‘স্মরণ কর, যখন তোমরা উপরের দিকে পালাচ্ছিলে এবং পেছনে ফিরে কারো প্রতি তাকাচ্ছিলে না, অথচ রাসূল পেছন দিক থেকে তোমাদের ডাকছিল। ফলে তিনি তোমাদের দিলেন দুঃখের উপর দুঃখ, যাতে তোমরা দুঃখ না কর যা তোমরা হারিয়েছ তার জন্য, আর না সে বিপদের জন্য যা তোমাদের উপর আপতিত হয়েছে। আর আল্লাহ পূর্ণ অবহিত সে বিষয়ে যা তোমরা কর।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৩) ৬০৬৭. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহূদের দিন ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে পদাতিক বাহিনীর অধিনায়ক নিযুক্ত করেছিলেন। কিন্তু তারা পরাস্ত হয়ে (মদিনার পানে) ছুটে গিয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাদেরকে পেছন থেকে ডাক দেয়া। [৩০৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Narrated Al-Bara' bin `Azib:
The Prophet (ﷺ) appointed `Abdullah bin Jubair as the commander of the cavalry archers on the day of the battle of Uhud. Then they returned defeated, and that is what is referred to by Allah's Statement:-- "And the Apostle (Muhammad) was in your rear calling you back