মূল লেখায় যান
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
الغاشية

সূরা আল-গাশিয়াহ

আচ্ছন্নকারী · সূরা নং ৮৮ · ২৬ আয়াত · ১ রুকু · মাক্কী · পারা ৩০
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ٱلْغَٰشِيَةِ ١
হাল আতা-কা হাদীছুল গা-শিয়াহ
(সব কিছুকে) আচ্ছন্নকারী কিয়ামাতের খবর তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍ خَٰشِعَةٌ ٢
উজূহুঁ ইয়াওমাইযিন খা-শি‘আহ
কতক মুখ সেদিন নীচু হবে
عَامِلَةٌۭ نَّاصِبَةٌۭ ٣
‘আ-মিলাতুন না-সিবাহ
হবে কর্মক্লান্ত, শ্রান্ত।
تَصْلَىٰ نَارًا حَامِيَةًۭ ٤
তাসলা না-রান হা-মিয়াহ
তারা জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করবে।
تُسْقَىٰ مِنْ عَيْنٍ ءَانِيَةٍۢ ٥
তুসকা মিন ‘আইনিন আ-নিয়াহ
টগবগে ফুটন্ত ঝর্ণা থেকে তাদেরকে পান করানো হবে।
لَّيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِن ضَرِيعٍۢ ٦
লাইসা লাহুম তা‘আ-মুন ইল্লা মিন দারী‘
কাঁটাযুক্ত শুকনো ঘাস ছাড়া তাদের জন্য আর কোন খাদ্য থাকবে না।
لَّا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِى مِن جُوعٍۢ ٧
লা ইউসমিনু ওয়ালা ইউগনী মিন জূ‘
যা পুষ্টিসাধন করবে না, আর ক্ষুধাও মিটাবে না।
وُجُوهٌۭ يَوْمَئِذٍۢ نَّاعِمَةٌۭ ٨
উজূহুঁ ইয়াওমাইযিন না-‘ইমাহ
কতক মুখ সেদিন হবে আনন্দে উজ্জ্বল।
لِّسَعْيِهَا رَاضِيَةٌۭ ٩
লিসা‘ইয়িহা রা-দিয়াহ
নিজেদের চেষ্টা-সাধনার জন্য সন্তুষ্ট।
فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍۢ ١٠
ফী জান্নাতিন ‘আ-লিয়াহ
উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ জান্নাতে,
لَّا تَسْمَعُ فِيهَا لَٰغِيَةًۭ ١١
লা তাসমা‘উ ফীহা লা-গিয়াহ
সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক কথাবার্তা,
فِيهَا عَيْنٌۭ جَارِيَةٌۭ ١٢
ফীহা ‘আইনুন জা-রিয়াহ
সেখানে থাকবে প্রবহমান ঝর্ণা,
فِيهَا سُرُرٌۭ مَّرْفُوعَةٌۭ ١٣
ফীহা সুরুরুম মারফূ‘আহ
সেখানে থাকবে উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন আসন,
وَأَكْوَابٌۭ مَّوْضُوعَةٌۭ ١٤
ওয়াআকওয়া-বুম মাওদূ‘আহ
পানপাত্র থাকবে প্রস্তুত।
وَنَمَارِقُ مَصْفُوفَةٌۭ ١٥
ওয়ানামা-রিকু মাসফূফাহ
সারি সারি বালিশ,
وَزَرَابِىُّ مَبْثُوثَةٌ ١٦
ওয়াযারা-বিয়্যু মাবছূছাহ
আর থাকবে মখমল- বিছানো।
أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى ٱلْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ١٧
আফালা ইয়ানযুরূনা ইলাল ইবিলি কাইফা খুলিকাত
(ক্বিয়ামত হবে একথা যারা অমান্য করে) তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?
وَإِلَى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ١٨
ওয়াইলাস সামা-ই কাইফা রুফি‘আত
এবং আসমানের দিকে, কীভাবে তা ঊর্ধ্বে উঠানো হয়েছে?
وَإِلَى ٱلْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ١٩
ওয়াইলাল জিবা-লি কাইফা নুসিবাত
এবং পর্বতমালার দিকে, কী রকম দৃঢ়ভাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে?
وَإِلَى ٱلْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ ٢٠
ওয়াইলাল আরদি কাইফা সুতিহাত
আর যমীনের দিকে, কীভাবে তাকে বিছিয়ে দেয়া হয়েছে?
فَذَكِّرْ إِنَّمَآ أَنتَ مُذَكِّرٌۭ ٢١
ফাযাক্কির ইন্নামা- আনতা মুযাক্কির
কাজেই তুমি তাদেরকে উপদেশ দাও, তুমি একজন উপদেশদাতা মাত্র।
لَّسْتَ عَلَيْهِم بِمُصَيْطِرٍ ٢٢
লাসতা ‘আলাইহিম বিমুসাইতির
তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও।
إِلَّا مَن تَوَلَّىٰ وَكَفَرَ ٢٣
ইল্লা মান তাওয়াল্লা ওয়াকাফার
তবে কেউ কুফুরি করলে এবং মুখ ফিরিয়ে নিলে
فَيُعَذِّبُهُ ٱللَّهُ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَكْبَرَ ٢٤
ফাইউ‘আয্যিবুহুল্লা-হুল ‘আযা-বাল আকবার
আল্লাহ তাকে মহাশাস্তিতে শাস্তি দেবেন।
إِنَّ إِلَيْنَآ إِيَابَهُمْ ٢٥
ইন্না ইলাইনা- ইয়া-বাহুম
তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে।
ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُم ٢٦
ছুম্মা ইন্না ‘আলাইনা হিসা-বাহুম
অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ।