মূল লেখায় যান
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
القلم

সূরা আল-কালাম

কলম · সূরা নং ৬৮ · ৫২ আয়াত · ২ রুকু · মাক্কী · পারা ২৯
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
نٓ ۚ وَٱلْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ ١
নূ-ন ওয়ালকালামি ওয়ামা ইয়াসতুরূন
নূন, কলমের শপথ আর লেখকেরা যা লেখে তার শপথ।
مَآ أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍۢ ٢
মা- আনতা বিনি‘মাতি রাব্বিকা বিমাজনূন
তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍۢ ٣
ওয়াইন্না লাকা লাআজরান গাইরা মামনূন
তোমার জন্য অবশ্যই আছে অফুরন্ত পুরস্কার,
وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍۢ ٤
ওয়াইন্নাকা লা‘আলা খুলুকিন ‘আযীম
নিশ্চয়ই তুমি মহান চরিত্রের উচ্চমার্গে উন্নীত।
فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ ٥
ফাসাতুবসিরু ওয়াইউবসিরূন
শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে আর তারাও দেখবে,
بِأَييِّكُمُ ٱلْمَفْتُونُ ٦
বিআইয়্যিকুমুল মাফতূন
তোমাদের মধ্যে কে পাগলামিতে আক্রান্ত।
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ ٧
ইন্না রাব্বাকা হুওয়া আ‘লামু বিমান দাল্লা ‘আন সাবীলিহী ওয়াহুওয়া আ‘লামু বিলমুহতাদীন
তোমার প্রতিপালক বেশি জানেন কে তাঁর পথ থেকে গুমরাহ হয়ে গেছে, আর সঠিক পথপ্রাপ্তদেরকেও তিনি ভাল করে জানেন।
فَلَا تُطِعِ ٱلْمُكَذِّبِينَ ٨
ফালা তুতি‘ইল মুকায্যিবীন
কাজেই তুমি মিথ্যাবাদীদের কথা মান্য কর না।
وَدُّوا۟ لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ ٩
ওয়াদ্দূ লাও তুদহিনু ফাইউদহিনূন
তারা চায় যে, তুমি যদি নমনীয় হও, তবে তারাও নমনীয় হবে,
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍۢ مَّهِينٍ ١٠
ওয়ালা তুতি‘ কুল্লা হাল্লা-ফিম মাহীন
তুমি তার অনুসরণ কর না, যে বেশি বেশি কসম খায় আর যে (বার বার মিথ্যা কসম খাওয়ার কারণে মানুষের কাছে) লাঞ্ছিত।
هَمَّازٍۢ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِيمٍۢ ١١
হাম্মা-যিম মাশ্শা-ইম বিনামীম
যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের কাছে লাগিয়ে ফিরে,
مَّنَّاعٍۢ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ١٢
মান্না-‘ইল লিলখাইরি মু‘তাদিন আছীম
যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপিষ্ঠ,
عُتُلٍّۭ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ ١٣
‘উতুল্লিম বা‘দা যা-লিকা যানীম
কঠোর স্বভাব, তার উপরে আবার কুখ্যাত।
أَن كَانَ ذَا مَالٍۢ وَبَنِينَ ١٤
আন কা-না যা মা-লিঁ ওয়াবানীন
কারণ সে সম্পদ আর (অনেক) সন্তানাদির অধিকারী।
إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَٰتُنَا قَالَ أَسَٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ ١٥
ইযা তুতলা ‘আলাইহি আ-য়া-তুনা কা-লা আসা-তীরুল আওয়ালীন
তার কাছে যখন আমার আয়াত পাঠ করা হয় তখন সে বলে, ‘‘এতো আগে কালের লোকেদের কিসসা কাহিনী মাত্র।
سَنَسِمُهُۥ عَلَى ٱلْخُرْطُومِ ١٦
সানাসিমুহূ ‘আলাল খুরতূম
আমি তার শুঁড়ের উপর দাগ দিয়ে দিব (অর্থাৎ তাকে লাঞ্ছিত করব)।
إِنَّا بَلَوْنَٰهُمْ كَمَا بَلَوْنَآ أَصْحَٰبَ ٱلْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا۟ لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ ١٧
ইন্না বালাওনা-হুম কামা বালাওনা- আসহা-বাল জান্নাতি ইয আকসামূ লায়াসরিমুন্নাহা মুসবিহীন
আমি এদেরকে (অর্থাৎ মক্কাবাসীদেরকে) পরীক্ষা করেছি যেমন আমি বাগানের মালিকদেরকে পরীক্ষা করেছিলাম। যখন তারা কসম করে বলেছিল যে, তারা সকাল বেলায় অবশ্যই বাগানের ফল সংগ্রহ করে নেবে।
وَلَا يَسْتَثْنُونَ ١٨
ওয়ালা ইয়াসতাছনূন
তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।
فَطَافَ عَلَيْهَا طَآئِفٌۭ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَآئِمُونَ ١٩
ফাতা-ফা ‘আলাইহা তা-ইফুম মির রাব্বিকা ওয়াহুম না-ইমূন
অতঃপর তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পড়ল যখন তারা ছিল নিদ্রিত।
فَأَصْبَحَتْ كَٱلصَّرِيمِ ٢٠
ফাআসবাহাত কাস্সারীম
যার ফলে তা হয়ে গেল বিবর্ণ কাটা ফসলের মত।
فَتَنَادَوْا۟ مُصْبِحِينَ ٢١
ফাতানা-দাও মুসবিহীন
সকালে একে অপরকে ডেকে বলল,
أَنِ ٱغْدُوا۟ عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰرِمِينَ ٢٢
আনিগদূ ‘আলা হারছিকুম ইন কুনতুম সা-রিমীন
‘তোমরা যদি ফল সংগ্রহ করতে চাও তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
فَٱنطَلَقُوا۟ وَهُمْ يَتَخَٰفَتُونَ ٢٣
ফানতালাকূ ওয়াহুম ইয়াতাখা-ফাতূন
তারা চুপি চুপি কথা বলতে বলতে চলল।
أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا ٱلْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌۭ ٢٤
আল লা ইয়াদখুলান্নাহাল ইয়াওমা ‘আলাইকুম মিসকীন
‘আজ যেন সেখানে তোমাদের কাছে মিসকীনরা অবশ্যই ঢুকতে না পারে।’
وَغَدَوْا۟ عَلَىٰ حَرْدٍۢ قَٰدِرِينَ ٢٥
ওয়াগাদাও ‘আলা হারদিন কা-দিরীন
তারা এক (অন্যায়) সিদ্ধান্তে সংকল্পবদ্ধ হয়ে সকাল করল।
فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوٓا۟ إِنَّا لَضَآلُّونَ ٢٦
ফালাম্মা রাআওহা কা-লূ ইন্না লাদা-ল্লূন
অতঃপর তারা যখন বাগানটি দেখল তখন তারা বলল, ‘‘আমরা অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলেছি,
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ٢٧
বাল নাহনু মাহরূমূন
(অতঃপর ব্যাপারটি বুঝতে পারার পর তারা বলে উঠল) বরং আমরা তো কপাল পোড়া।’’
قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ ٢٨
কা-লা আওসাতুহুম আলাম আকুল লাকুম লাওলা তুসাব্বিহূন
তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে ভাল লোকটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছ না কেন?’
قَالُوا۟ سُبْحَٰنَ رَبِّنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ ٢٩
কা-লূ সুবহা-না রাব্বিনা- ইন্না কুন্না যা-লিমীন
তারা বলল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরা সীমালঙ্ঘনকারীই ছিলাম।’
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍۢ يَتَلَٰوَمُونَ ٣٠
ফাআকবালা বা‘দুহুম ‘আলা বা‘দিঁ ইয়াতালা-ওয়ামূন
অতঃপর তারা একে অপরের দিকে এগিয়ে গিয়ে পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।
قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا طَٰغِينَ ٣١
কা-লূ ইয়া-ওয়াইলানা- ইন্না কুন্না তা-গীন
তারা বলল, ‘দুর্ভোগ আমাদের, আমরা ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারী,
عَسَىٰ رَبُّنَآ أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًۭا مِّنْهَآ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا رَٰغِبُونَ ٣٢
‘আসা রাব্বুনা- আন ইউবদিলানা খাইরাম মিনহা- ইন্না- ইলা রাব্বিনা রা-গিবূন
সম্ভবতঃ আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে উত্তম (বাগান) দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হলাম।’
كَذَٰلِكَ ٱلْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ ٣٣
কাযা-লিকাল ‘আযা-বু ওয়ালা‘আযা-বুল আ-খিরাতি আকবার লাও কা-নূ ইয়া‘লামূন
‘আযাব এ রকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের ‘আযাব তো সবচেয়ে কঠিন। যদি তারা জানত!
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ ٣٤
ইন্না লিলমুত্তাকীনা ‘ইনদা রাব্বিহিম জান্না-তিন না‘ঈম
মুত্তাক্বীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট আছে নি‘মাতে পরিপূর্ণ জান্নাত।
أَفَنَجْعَلُ ٱلْمُسْلِمِينَ كَٱلْمُجْرِمِينَ ٣٥
আফানাজ‘আলুল মুসলিমীনা কালমুজরিমীন
আমি কি আত্মসমর্পণকারীদেরকে অপরাধীদের মত গণ্য করব?
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ٣٦
মা লাকুম কাইফা তাহকুমূন
তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কেমনভাবে বিচার করে সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
أَمْ لَكُمْ كِتَٰبٌۭ فِيهِ تَدْرُسُونَ ٣٧
আম লাকুম কিতা-বুন ফীহি তাদরুসূন
তোমাদের কাছে কি (আল্লাহর নাযিলকৃত) কোন কিতাব আছে যা পড়ে তোমরা জানতে পার যে,
إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ ٣٨
ইন্না লাকুম ফীহি লামা তাখাইয়্যারূন
তোমাদের জন্য সেখানে তাই আছে যা তোমরা পছন্দ কর?
أَمْ لَكُمْ أَيْمَٰنٌ عَلَيْنَا بَٰلِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ ٣٩
আম লাকুম আইমা-নুন ‘আলাইনা বা-লিগাতুন ইলা ইয়াওমিল কিয়া-মাতি ইন্না লাকুম লামা তাহকুমূন
অথবা তোমাদের জন্য আমার উপর কি ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন দায়বদ্ধতা আছে যে, তোমরা যা দাবী করবে তাই পাবে?
سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ ٤٠
সালহুম আইয়্যুহুম বিযা-লিকা যা‘ঈম
তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর (আল্লাহ যে তাদের সঙ্গে প্রতিশ্রুতিতে দায়বদ্ধ) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি জামিনদার (গ্যারান্টর)?
أَمْ لَهُمْ شُرَكَآءُ فَلْيَأْتُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ إِن كَانُوا۟ صَٰدِقِينَ ٤١
আম লাহুম শুরাকা-উ ফালইয়া’তূ বিশুরাকা-ইহিম ইন কা-নূ সা-দিকীন
অথবা তাদের কি শরীক উপাস্য আছে, থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে হাজির করুক- তারা যদি সত্যবাদী হয়ে থাকে।
يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍۢ وَيُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ٤٢
ইয়াওমা ইউকশাফু ‘আন সা-কিঁ ওয়াইউদ‘আওনা ইলাস সুজূদি ফালা ইয়াসতাতী‘ঊন
যেদিন (ক্বিয়ামতে) পায়ের গোছা (হাঁটুর নিম্নভাগ) উন্মোচিত হবে আর তাদেরকে ডাকা হবে সেজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সেজদা করতে সক্ষম হবে না।
خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌۭ ۖ وَقَدْ كَانُوا۟ يُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمْ سَٰلِمُونَ ٤٣
খা-শি‘আতান আবসা-রুহুম তারহাকুহুম যিল্লাতুঁ ওয়াকাদ কা-নূ ইউদ‘আওনা ইলাস সুজূদি ওয়াহুম সা-লিমূন
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, অপমান লাঞ্ছনা তাদের উপর চেপে বসবে। (দুনিয়াতে) তারা যখন সুস্থ ও নিরাপদ ছিল তখনও তাদেরকে সেজদা করার জন্য ডাকা হত (কিন্তু তারা সেজদা করত না)
فَذَرْنِى وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا ٱلْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ ٤٤
ফাযারনী ওয়ামান ইউকায্যিবু বিহা-যাল হাদীছি সানাসতাদরিজুহুম মিন হাইছু লা ইয়া‘লামূন
কাজেই ছেড়ে দাও আমাকে আর তাদেরকে যারা এ বাণীকে অস্বীকার করেছে। আমি তাদেরকে ক্রমে ক্রমে আস্তে আস্তে এমনভাবে ধরে টান দিব যে, তারা একটু টেরও পাবে না।
وَأُمْلِى لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِى مَتِينٌ ٤٥
ওয়াউমলী লাহুম ইন্না কাইদী মাতীন
আমি তাদেরকে (লম্বা) সময় দেই, আমার কৌশল বড়ই মজবুত।
أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ أَجْرًۭا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍۢ مُّثْقَلُونَ ٤٦
আম তাসআলুহুম আজরান ফাহুম মিম মাগরামিম মুছকালূন
তুমি কি তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ যে, দেনার দায়ভার বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে?
أَمْ عِندَهُمُ ٱلْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ٤٧
আম ‘ইনদাহুমুল গাইবু ফাহুম ইয়াকতুবূন
নাকি তাদের কাছে গায়বের খবর আছে যা তা তারা লিখে রাখে।
فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ ٱلْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌۭ ٤٨
ফাসবির লিহুকমি রাব্বিকা ওয়ালা তাকুন কাসা-হিবিল হূতি ইয না-দা ওয়াহুওয়া মাকযূম
কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা কর, আর মাছওয়ালা [ইউনুস (আঃ)] এর মত (অধৈর্য) হয়ো না। স্মরণ কর যখন সে (তার প্রতিপালককে ডাক দিয়েছিল চিন্তায় দুঃখে আচ্ছন্ন হয়ে।
لَّوْلَآ أَن تَدَٰرَكَهُۥ نِعْمَةٌۭ مِّن رَّبِّهِۦ لَنُبِذَ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ مَذْمُومٌۭ ٤٩
লাওলা- আন তাদা-রাকাহূ নি‘মাতুম মির রাব্বিহী লানুবিযা বিল‘আরা-ই ওয়াহুওয়া মাযমূম
তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যদি তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে লাঞ্ছিত অবস্থায় ধুঁধুঁ বালুকাময় তীরে নিক্ষিপ্ত হত।
فَٱجْتَبَٰهُ رَبُّهُۥ فَجَعَلَهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ ٥٠
ফাজতাবা-হু রাব্বুহূ ফাজা‘আলাহূ মিনাস সা-লিহীন
এভাবে তার প্রতিপালক তাকে বেছে নিলেন আর তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।
وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌۭ ٥١
ওয়াইন ইয়াকা-দুল লাযীনা কাফারূ লাইউযলিকূনাকা বিআবসা-রিহিম লাম্মা সামি‘উয যিকরা ওয়ায়াকূলূনা ইন্নাহূ লামাজনূন
কাফিররা যখন কুরআন শুনে তখন তারা যেন তাদের দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছড়ে ফেলবে। আর তারা বলে, ‘‘সে তো অবশ্যই পাগল।’’
وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ٥٢
ওয়ামা হুওয়া ইল্লা যিকরুল লিল‘আ-লামীন
অথচ এ কুরআন বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ ছাড়া অন্য কিছুই নয়।