بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
وَٱلذَّٰرِيَٰتِ ذَرْوًۭا ١
ওয়ায্যা-রিয়া-তি যারওয়া
শপথ সেই বাতাসের যা ধূলাবালি উড়ায়,
فَٱلْحَٰمِلَٰتِ وِقْرًۭا ٢
ফালহা-মিলা-তি উইকরা
আর যা উঠিয়ে নেয় আর বহন করে ভারী বোঝা,
فَٱلْجَٰرِيَٰتِ يُسْرًۭا ٣
ফালজা-রিয়া-তি ইউসরা
আর যা ধীর ও শান্ত গতিতে বয়ে চলে
فَٱلْمُقَسِّمَٰتِ أَمْرًا ٤
ফালমুকাস্সিমা-তি আমরা
আর যারা কর্ম বণ্টন করে,
إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَصَادِقٌۭ ٥
ইন্নামা তূ‘আদূনা লাসা-দিক
তোমাদেরকে যার ও‘য়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই সত্য।
وَإِنَّ ٱلدِّينَ لَوَٰقِعٌۭ ٦
ওয়াইন্নাদ দীনা লাওয়া-কি‘
কর্মফল দিবস অবশ্যই আসবে।
وَٱلسَّمَآءِ ذَاتِ ٱلْحُبُكِ ٧
ওয়াস্সামা-ই যা-তিল হুবুক
বহু পথ বিশিষ্ট আকাশের শপথ।
إِنَّكُمْ لَفِى قَوْلٍۢ مُّخْتَلِفٍۢ ٨
ইন্নাকুম লাফী কাওলিম মুখতালিফ
(পরকাল সম্পর্কে) তোমরা অবশ্যই রয়েছ মতভেদের মধ্যে।
يُؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ أُفِكَ ٩
ইউ’ফাকু ‘আনহু মান উফিক
যারা সেই (সত্য) মানতে ভুল করে তারাই গুমরাহ।
قُتِلَ ٱلْخَرَّٰصُونَ ١٠
কুতিলাল খার্রা-সূন
অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,
ٱلَّذِينَ هُمْ فِى غَمْرَةٍۢ سَاهُونَ ١١
আল্লাযীনা হুম ফী গামরাতিন সা-হূন
যারা অজ্ঞতা ও উদাসীনতার মধ্যে রয়েছে।
يَسْـَٔلُونَ أَيَّانَ يَوْمُ ٱلدِّينِ ١٢
ইয়াসআলূনা আইয়্যা-না ইয়াওমুদ দীন
তারা জিজ্ঞেস করে- ‘প্রতিফল দিবস কবে হবে?’
يَوْمَ هُمْ عَلَى ٱلنَّارِ يُفْتَنُونَ ١٣
ইয়াওমা হুম ‘আলান না-রি ইউফতানূন
(তা হবে সেদিন) যেদিন তাদেরকে আগুনে শাস্তি দেয়া হবে।
ذُوقُوا۟ فِتْنَتَكُمْ هَٰذَا ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تَسْتَعْجِلُونَ ١٤
যূকূ ফিতনাতাকুম হা-যাল লাযী কুনতুম বিহী তাসতা‘জিলূন
(তাদেরকে বলা হবে) তোমরা তোমাদের (কৃতকর্মের) শাস্তি ভোগ কর, এটা হচ্ছে তাই যার জন্য তোমরা তাড়াহুড়া করছিলে।
إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّٰتٍۢ وَعُيُونٍ ١٥
ইন্নাল মুত্তাকীনা ফী জান্না-তিঁ ওয়া‘উইউন
মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাত আর ঝর্ণাধারার মাঝে।
ءَاخِذِينَ مَآ ءَاتَىٰهُمْ رَبُّهُمْ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَبْلَ ذَٰلِكَ مُحْسِنِينَ ١٦
আ-খিযীনা মা- আ-তা-হুম রাব্বুহুম ইন্নাহুম কা-নূ কাবলা যা-লিকা মুহসিনীন
তাদের প্রতিপালক যা তাদেরকে দিবেন তা তারা ভোগ করবে, কারণ তারা পূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) ছিল সৎকর্মশীল,
كَانُوا۟ قَلِيلًۭا مِّنَ ٱلَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ١٧
কা-নূ কালীলাম মিনাল লাইলি মা ইয়াহজা‘ঊন
তারা রাত্রিকালে খুব কমই শয়ন করত।
وَبِٱلْأَسْحَارِ هُمْ يَسْتَغْفِرُونَ ١٨
ওয়াবিলআসহা-রি হুম ইয়াসতাগফিরূন
আর তারা রাত্রির শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনা করত।
وَفِىٓ أَمْوَٰلِهِمْ حَقٌّۭ لِّلسَّآئِلِ وَٱلْمَحْرُومِ ١٩
ওয়াফী আমওয়া-লিহিম হাক্কুল লিস্সা-ইলি ওয়ালমাহরূম
এবং তাদের ধন-মালে আছে যাঞ্ঝাকারী ও বঞ্চিতদের অধিকার (যা তারা আদায় করত)।
وَفِى ٱلْأَرْضِ ءَايَٰتٌۭ لِّلْمُوقِنِينَ ٢٠
ওয়াফিল আরদি আ-য়া-তুল লিলমূকিনীন
নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে আছে নিদর্শন,
وَفِىٓ أَنفُسِكُمْ ۚ أَفَلَا تُبْصِرُونَ ٢١
ওয়াফী আনফুসিকুম আফালা তুবসিরূন
আর (নিদর্শন আছে) তোমাদের মাঝেও, তোমরা কি দেখ না?
وَفِى ٱلسَّمَآءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوعَدُونَ ٢٢
ওয়াফিস সামা-ই রিযকুকুম ওয়ামা তূ‘আদূন
এবং আকাশে আছে তোমাদের রিযক আর আছে যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।
فَوَرَبِّ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ إِنَّهُۥ لَحَقٌّۭ مِّثْلَ مَآ أَنَّكُمْ تَنطِقُونَ ٢٣
ফাওয়ারাব্বিস সামা-ই ওয়ালআরদি ইন্নাহূ লাহাক্কুম মিছলা মা- আন-নাকুম তানতিকূন
আকাশ ও যমীনের প্রতিপালকের শপথ! এ সব অবশ্যই সত্য, এমনই দৃঢ় সত্য যেমন তোমরা (যে কথাবার্তা) বলে থাক (সেই কথাবার্তা বলার ব্যাপারটা যেমন নিঃসন্দেহে সত্য)।
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَٰهِيمَ ٱلْمُكْرَمِينَ ٢٤
হাল আতা-কা হাদীছু দাইফি ইবরা-হীমাল মুকরামীন
তোমার কাছে ইবরাহীমের সম্মানিত মেহমানদের খবর পৌঁছেছে কি?
إِذْ دَخَلُوا۟ عَلَيْهِ فَقَالُوا۟ سَلَٰمًۭا ۖ قَالَ سَلَٰمٌۭ قَوْمٌۭ مُّنكَرُونَ ٢٥
ইয দাখালূ ‘আলাইহি ফাকা-লূ সালা-মান কা-লা সালা-মুন কাওমুম মুনকারূন
যখন তারা তার সামনে উপস্থিত হল তখন বলল, ‘সালাম’। সে উত্তর দিল- ‘সালাম’। (ইবরাহীম মনে মনে ভাবল এদেরকে তো দেখছি) অপরিচিত লোক।
فَرَاغَ إِلَىٰٓ أَهْلِهِۦ فَجَآءَ بِعِجْلٍۢ سَمِينٍۢ ٢٦
ফারা-গা ইলা- আহলিহী ফাজা-আ বি‘ইজলিন সামীন
তখন সে তাড়াতাড়ি তার ঘরের লোকেদের নিকট চলে গেল এবং একটি মোটাতাজা (ভাজা) বাছুর নিয়ে আসল।
فَقَرَّبَهُۥٓ إِلَيْهِمْ قَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ ٢٧
ফাকার্রাবাহূ ইলাইহিম কা-লা আলা তা’কুলূন
অতঃপর সেটিকে তাদের সামনে রেখে দিল এবং বলল- ‘তোমরা খাচ্ছ না কেন?’
فَأَوْجَسَ مِنْهُمْ خِيفَةًۭ ۖ قَالُوا۟ لَا تَخَفْ ۖ وَبَشَّرُوهُ بِغُلَٰمٍ عَلِيمٍۢ ٢٨
ফাআওজাসা মিনহুম খীফাতান কা-লূ লা তাখাফ ওয়াবাশ্শারূহু বিগুলা-মিন ‘আলীম
(যখন তারা খেল না) তখন সে তাদের ব্যাপারে মনে ভয় পেয়ে গেল। তারা বলল- ‘তুমি ভয় পেও না’, অতঃপর তারা তাকে এক জ্ঞানবান পুত্রের সুসংবাদ দিল।
فَأَقْبَلَتِ ٱمْرَأَتُهُۥ فِى صَرَّةٍۢ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوزٌ عَقِيمٌۭ ٢٩
ফাআকবালাতিমরাআতুহূ ফী সার্রাতিন ফাসাক্কাত ওয়াজহাহা ওয়াকা-লাত ‘আজূযুন ‘আকীম
তখন তার স্ত্রী চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসল। সে নিজের কপালে আঘাত করে বলল ‘(আমি) এক বৃদ্ধা, বন্ধ্যা’ (আমার কীভাবে সন্তান হবে?)
قَالُوا۟ كَذَٰلِكِ قَالَ رَبُّكِ ۖ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْحَكِيمُ ٱلْعَلِيمُ ٣٠
কা-লূ কাযা-লিকি কা-লা রাব্বুকি ইন্নাহূ হুওয়াল হাকীমুল ‘আলীম
তারা বলল- ‘‘তোমার প্রতিপালক এ রকমই বলেছেন, তিনি মহা প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ"।
۞ قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ أَيُّهَا ٱلْمُرْسَلُونَ ٣١
কা-লা ফামা খাতবুকুম আইয়্যুহাল মুরসালূন
ইবরাহীম বলল- ‘ওহে আল্লাহর দূতগণ (ফেরেশতারা)! তোমাদের কাজ কী (এখন)?’
قَالُوٓا۟ إِنَّآ أُرْسِلْنَآ إِلَىٰ قَوْمٍۢ مُّجْرِمِينَ ٣٢
কা-লূ ইন্না- উরসিলনা- ইলা কাওমিম মুজরিমীন
তারা বলল- ‘আমাদেরকে এক অপরাধী জাতির কাছে পাঠানো হয়েছে'।
لِنُرْسِلَ عَلَيْهِمْ حِجَارَةًۭ مِّن طِينٍۢ ٣٣
লিনুরসিলা ‘আলাইহিম হিজা-রাতাম মিন তীন
যেন তাদের উপর মাটির পাথর বর্ষণ করি
مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِينَ ٣٤
মুসাওয়ামাতান ‘ইনদা রাব্বিকা লিলমুসরিফীন
যা তোমার প্রতিপালকের নিকট চিহ্নিত হয়ে আছে সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য।
فَأَخْرَجْنَا مَن كَانَ فِيهَا مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٣٥
ফাআখরাজনা মান কা-না ফীহা মিনাল মু’মিনীন
সেখানে যারা মু’মিন ছিল আমি তাদেরকে বের করে এনেছিলাম,
فَمَا وَجَدْنَا فِيهَا غَيْرَ بَيْتٍۢ مِّنَ ٱلْمُسْلِمِينَ ٣٦
ফামা ওয়াজাদনা ফীহা গাইরা বাইতিম মিনাল মুসলিমীন
আমি সেখানে মুসলিমদের একটি পরিবার ছাড়া আর পাইনি।
وَتَرَكْنَا فِيهَآ ءَايَةًۭ لِّلَّذِينَ يَخَافُونَ ٱلْعَذَابَ ٱلْأَلِيمَ ٣٧
ওয়াতারাকনা ফীহা- আ-য়াতাল লিল্লাযীনা ইয়াখা-ফূনাল ‘আযা-বাল আলীম
আর তাদের জন্য সেখানে একটা নিদর্শন রেখে দিলাম যারা অত্যন্ত পীড়াদায়ক ‘আযাবের ভয় করে।
وَفِى مُوسَىٰٓ إِذْ أَرْسَلْنَٰهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَٰنٍۢ مُّبِينٍۢ ٣٨
ওয়াফী মূসা- ইয আরসালনা-হু ইলা ফির‘আওনা বিসুলতা-নিম মুবীন
আর মূসার ঘটনাতেও (নিদর্শন আছে) যখন আমি তাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম,
فَتَوَلَّىٰ بِرُكْنِهِۦ وَقَالَ سَٰحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌۭ ٣٩
ফাতাওয়াল্লা বিরুকনিহী ওয়াকা-লা সা-হিরুন আও মাজনূন
তখন সে তার ক্ষমতার দাপটে মুখ ফিরিয়ে নিল আর বলল- ‘এ লোক একটা যাদুকর না হয় পাগল।’
فَأَخَذْنَٰهُ وَجُنُودَهُۥ فَنَبَذْنَٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌۭ ٤٠
ফাআখাযনা-হু ওয়াজুনূদাহূ ফানাবাযনা-হুম ফিল ইয়াম্মি ওয়াহুওয়া মুলীম
শেষে আমি তাকে আর তার সৈন্য সামন্তকে পাকড়াও করলাম আর তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে ছিল ধিকৃত নিন্দিত।
وَفِى عَادٍ إِذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ ٱلرِّيحَ ٱلْعَقِيمَ ٤١
ওয়াফী ‘আ-দিন ইয আরসালনা ‘আলাইহিমুর রীহাল ‘আকীম
আর ‘আদ-এর ঘটনাতেও (নিদর্শন আছে)। আমি তাদের কাছে পাঠিয়েছিলাম অকল্যাণের বাতাস।
مَا تَذَرُ مِن شَىْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلَّا جَعَلَتْهُ كَٱلرَّمِيمِ ٤٢
মা তাযারু মিন শাইইন আতাত ‘আলাইহি ইল্লা জা‘আলাতহু কার্রামীম
তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ ও ধ্বংসস্তুপে পরিণত না করে ছাড়েনি।
وَفِى ثَمُودَ إِذْ قِيلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوا۟ حَتَّىٰ حِينٍۢ ٤٣
ওয়াফী ছামূদা ইয কীলা লাহুম তামাত্তা‘ঊ হাত্তা হীন
আর সামূদের ঘটনাতেও (নিদর্শন আছে) যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, ‘একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভোগ করে লও।’
فَعَتَوْا۟ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ ٱلصَّٰعِقَةُ وَهُمْ يَنظُرُونَ ٤٤
ফা‘আতাও ‘আন আমরি রাব্বিহিম ফাআখাযাতহুমুস সা-‘ইকাতু ওয়াহুম ইয়ানযুরূন
কিন্তু তারা ধৃষ্টতার সঙ্গে তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল যা তারা চেয়ে চেয়ে দেখছিল।
فَمَا ٱسْتَطَٰعُوا۟ مِن قِيَامٍۢ وَمَا كَانُوا۟ مُنتَصِرِينَ ٤٥
ফামাসতাতা-‘ঊ মিন কিয়া-মিঁ ওয়ামা কা-নূ মুনতাসিরীন
তারা (পায়ের ভরে) উঠে দাঁড়াতেও পারল না আর আত্মরক্ষা করতেও পারল না।
وَقَوْمَ نُوحٍۢ مِّن قَبْلُ ۖ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًۭا فَٰسِقِينَ ٤٦
ওয়াকাওমা নূহিম মিন কাবলু ইন্নাহুম কা-নূ কাওমান ফা-সিকীন
ইতোপূর্বে আমি নূহের জাতিকে ধ্বংস করেছিলাম, তারা ছিল এক পাপাচারী জাতি।
وَٱلسَّمَآءَ بَنَيْنَٰهَا بِأَيْي۟دٍۢ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ ٤٧
ওয়াস্সামা-আ বানাইনা-হা বিআইদিঁ ওয়াইন্না লামূসি‘ঊন
আমি নিজ হাত দ্বারা আসমান সৃষ্টি করেছি আর আমি অবশ্যই মহা প্রশস্তকারী।
وَٱلْأَرْضَ فَرَشْنَٰهَا فَنِعْمَ ٱلْمَٰهِدُونَ ٤٨
ওয়ালআরদা ফারাশনা-হা ফানি‘মাল মা-হিদূন
আর যমীন- তাকে আমিই বিছিয়েছি, আমি কতই না সুন্দর (সমতল) প্রসারণকারী!
وَمِن كُلِّ شَىْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَيْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ ٤٩
ওয়ামিন কুল্লি শাইইন খালাকনা যাওজাইনি লা‘আল্লাকুম তাযাক্কারূন
আমি প্রত্যেকটি বস্তু সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর।
فَفِرُّوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ ٥٠
ফাফির্রূ ইলাল্লা-হি ইন্নী লাকুম মিনহু নাযীরুম মুবীন
অতএব দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের জন্য তাঁর পক্ষ হতে স্পষ্ট সতর্ককারী।
وَلَا تَجْعَلُوا۟ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ ۖ إِنِّى لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌۭ مُّبِينٌۭ ٥١
ওয়ালা তাজ‘আলূ মা‘আল্লা-হি ইলা-হান আ-খারা ইন্নী লাকুম মিনহু নাযীরুম মুবীন
তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ স্থির করো না, আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য স্পষ্ট সতর্ককারী।
كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ٥٢
কাযা-লিকা মা- আতাল লাযীনা মিন কাবলিহিম মির রাসূলিন ইল্লা কা-লূ সা-হিরুন আও মাজনূন
এভাবে যখনই তাদের আগের লোকেদের মধ্যে কোন রসূল এসেছে, তখনই তারা বলেছে- ‘সে যাদুকর না হয় উন্মাদ।’
أَتَوَاصَوْا۟ بِهِۦ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌۭ طَاغُونَ ٥٣
আতাওয়া-সাও বিহ বাল হুম কাওমুন তা-গূন
তারা কি বংশ পরম্পরায় এরই অসিয়ত (অর্থাৎ অন্তিম সবক) দিয়ে আসছে, বরং তারা সীমালঙ্ঘনকারী জাতি।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَآ أَنتَ بِمَلُومٍۢ ٥٤
ফাতাওয়াল্লা ‘আনহুম ফামা- আনতা বিমালূম
কাজেই তুমি তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে লও, তার জন্য তুমি তিরস্কৃত হবে না।
وَذَكِّرْ فَإِنَّ ٱلذِّكْرَىٰ تَنفَعُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٥٥
ওয়াযাক্কির ফাইন্নায যিকরা তানফা‘উল মু’মিনীন
আর তুমি উপদেশ দিতে থাক, কেননা উপদেশ মু’মিনদের উপকার করবে।
وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ٥٦
ওয়ামা খালাকতুল জিন্না ওয়ালইনসা ইল্লা লিয়া‘বুদূন
আমি জ্বিন ও মানবকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র এ কারণে যে, তারা আমারই ‘ইবাদাত করবে।
مَآ أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍۢ وَمَآ أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ ٥٧
মা- উরীদু মিনহুম মির রিযকিঁ ওয়ামা- উরীদু আন ইউত‘ইমূন
আমি তাদের থেকে রিযক চাই না, আর আমি এও চাই না যে, তারা আমাকে খাওয়াবে।
إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلْقُوَّةِ ٱلْمَتِينُ ٥٨
ইন্নাল্লা-হা হুওয়ার রায্যা-কু যুল কুওয়াতিল মাতীন
আল্লাহই তো রিযকদাতা, মহা শক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذَنُوبًۭا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَٰبِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ٥٩
ফাইন্না লিল্লাযীনা যালামূ যানূবাম মিছলা যানূবি আসহা-বিহিম ফালা ইয়াসতা‘জিলূন
কাজেই যারা যুলম করেছে তাদের প্রাপ্য তাই যে প্রাপ্য পূর্বে ছিল তাদের মত লোকেদের; কাজেই (নিজেদের প্রাপ্য পাওয়ার জন্য) তারা যেন তাড়াহুড়া না করে।
فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن يَوْمِهِمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ ٦٠
ফাওয়াইলুল লিল্লাযীনা কাফারূ মিন ইয়াওমিহিমুল লাযী ইউ‘আদূন
কাফিরদের জন্য ধ্বংস (নেমে আসবে) তাদের সেদিনের যেদিনের ভয় তাদেরকে দেখানো হয়েছে।